পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে মসজিদে বোমা হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। যারমধ্যে ১১ জন বেসামরিক সাধারণ মানুষ। আর বাকি পাঁচজন পুলিশ সদস্য।
আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পেশোয়ার পুলিশ।
মসজিদটি খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাত জেলায় অবস্থিত।
হামলাকারীরা বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে মসজিদে ধাক্কা দেয়। এরপর ওই গাড়িটি বিস্ফোরিত হয়ে এত হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর এখনো গোলাগুলি চলছে। এরমধ্যে এক হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে সংঘর্ষ চলমান থাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা স্পষ্ট নয়।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী কোহাত অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে হামলার পর হতাহতদের নেওয়া হয়। স্থানীয় চিকিৎসক তাহির শাহ জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আলজাজিরার প্রতিবেদনে হামলার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
খাইবার পাখতুনখাওয়া দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গি সহিংসতায় আক্রান্ত। ওই অঞ্চলে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) উপস্থিতি রয়েছে এবং অতীতেও সংগঠনটির বিরুদ্ধে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার অভিযোগ রয়েছে। তবে শুক্রবারের হামলার সঙ্গে টিটিপির সংশ্লিষ্টতা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
সূত্র: বিবিসি, আলজাজিরা
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পেশোয়ার পুলিশ।
মসজিদটি খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাত জেলায় অবস্থিত।
হামলাকারীরা বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে মসজিদে ধাক্কা দেয়। এরপর ওই গাড়িটি বিস্ফোরিত হয়ে এত হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর এখনো গোলাগুলি চলছে। এরমধ্যে এক হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে সংঘর্ষ চলমান থাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা স্পষ্ট নয়।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী কোহাত অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে হামলার পর হতাহতদের নেওয়া হয়। স্থানীয় চিকিৎসক তাহির শাহ জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আলজাজিরার প্রতিবেদনে হামলার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
খাইবার পাখতুনখাওয়া দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গি সহিংসতায় আক্রান্ত। ওই অঞ্চলে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) উপস্থিতি রয়েছে এবং অতীতেও সংগঠনটির বিরুদ্ধে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার অভিযোগ রয়েছে। তবে শুক্রবারের হামলার সঙ্গে টিটিপির সংশ্লিষ্টতা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
সূত্র: বিবিসি, আলজাজিরা
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
