পটকা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ, চিকিৎসাধীন মুদি ব্যবসায়ীর মৃত্যু
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় টিপা (পটকা) মাছ খেয়ে একই পরিবারের পাঁচজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে মুদি ব্যবসায়ী মো. আজহারুল ইসলাম (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বড়দল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে। তিনি বড়দল বাজারের একজন মুদি দোকানি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি বাজার থেকে টিপা মাছ কিনে বাড়িতে রান্না করে খান পরিবারের সদস্যরা। মাছ খাওয়ার পরপরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে গুরুতর অবস্থায় আজহারুল ইসলামকে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে আজহারুল ইসলামের স্ত্রী, মা, ছেলে ও মেয়ে বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুজ্জামান শরীফ জানান, বাজার থেকে পটকা মাছ কিনে বাড়িতে রান্না করে খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজহারুল ইসলামের মৃত্যু হয়। অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, পটকা মাছ খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে। এ কারণে এ ধরনের মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে মানুষকে নিরুৎসাহিত করা হয়। তবে বড়দলের ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে নিহত আজহারুল ইসলামের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বড়দল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে। তিনি বড়দল বাজারের একজন মুদি দোকানি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি বাজার থেকে টিপা মাছ কিনে বাড়িতে রান্না করে খান পরিবারের সদস্যরা। মাছ খাওয়ার পরপরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে গুরুতর অবস্থায় আজহারুল ইসলামকে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে আজহারুল ইসলামের স্ত্রী, মা, ছেলে ও মেয়ে বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুজ্জামান শরীফ জানান, বাজার থেকে পটকা মাছ কিনে বাড়িতে রান্না করে খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজহারুল ইসলামের মৃত্যু হয়। অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, পটকা মাছ খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে। এ কারণে এ ধরনের মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে মানুষকে নিরুৎসাহিত করা হয়। তবে বড়দলের ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে নিহত আজহারুল ইসলামের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
