পরিচালকের আসনে দেব, বাংলা সিনেমাকে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা
নতুন ঝলক ও লাদাখের দুর্দান্ত রোম্যান্সে ফের চর্চায় উঠে এসেছে দেব-শুভশ্রী জুটি। ‘দেশু ৭’ ছবির প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’ প্রকাশের পর থেকেই অনুরাগীমহলে মাতামাতি তুঙ্গে। তবে এবার শুধু অভিনেতা হিসেবে নয়, পুরো ছবিটির পরিচালনার দায়িত্বে থেকে নতুন এক ঝুঁকি নিয়েছেন টলিউড সুপারস্টার দেব।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের পরিচালনায় আসার কারণ ও ছবিটি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন দেব। তিনি জানান, ক্যারিয়ারের প্রতিটি ছবিতেই সৃজনশীল মতামত থাকলেও ‘দেশু ৭’ ছবিটি তিনি যেভাবে নিজে থেকে কল্পনা (ভিজ্যুয়ালাইজ) করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই রুপালি পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন।
দেবের ভাষায়, ক্যারিয়ারের প্রতিটি ছবির ক্ষেত্রেই তার সৃজনশীল মতামত থাকে। তবে ‘দেশু ৭’-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল একটু আলাদা। ছবিটিকে তিনি যেভাবে কল্পনা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই পর্দায় তুলে ধরার ইচ্ছা থেকেই পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
পরিচালনায় আসার প্রসঙ্গে দেব বলেন, শুরুতে তার এমন কোনো পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু চিত্রনাট্যকারদের দল তাকে বোঝান, পুরো বিষয়টি যেহেতু তার চিন্তা থেকে এসেছে, তাই পরিচালনার দায়িত্বও তারই নেওয়া উচিত। পরে নিজের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি বুঝতে পারেন, সিদ্ধান্তটি ভুল নয়।
দেবের মতে, বাংলা সিনেমাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার তুলনায় বাংলা চলচ্চিত্রের ক্যানভাস এখনও অনেকটাই পিছিয়ে আছে বলে মনে করেন তিনি। সেই জায়গা থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই বড় বাজেট ও বড় পরিসরের সিনেমা নির্মাণের ঝুঁকি নিয়েছেন তিনি।
শুধু কম বাজেটের ছবি তৈরি করে দ্রুত মুনাফা করার চিন্তা তার নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন দেব। বরং দর্শককে প্রেক্ষাগৃহে ফিরিয়ে আনতে এবং তাদের নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দিতে চান তিনি। আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণ ও বড় ক্যানভাসের গল্পের মাধ্যমে বাংলা সিনেমার পরিধি বাড়ানোই তার অন্যতম লক্ষ্য।
‘দেশু ৭’ তাই শুধু দেব-শুভশ্রীর জুটি কিংবা রোম্যান্সের কারণে নয়, দেবের পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশের কারণেও বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে। ছবিটি মুক্তির পর তার এই নতুন ভূমিকা কতটা সফল হয়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের পরিচালনায় আসার কারণ ও ছবিটি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন দেব। তিনি জানান, ক্যারিয়ারের প্রতিটি ছবিতেই সৃজনশীল মতামত থাকলেও ‘দেশু ৭’ ছবিটি তিনি যেভাবে নিজে থেকে কল্পনা (ভিজ্যুয়ালাইজ) করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই রুপালি পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন।
দেবের ভাষায়, ক্যারিয়ারের প্রতিটি ছবির ক্ষেত্রেই তার সৃজনশীল মতামত থাকে। তবে ‘দেশু ৭’-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল একটু আলাদা। ছবিটিকে তিনি যেভাবে কল্পনা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই পর্দায় তুলে ধরার ইচ্ছা থেকেই পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
পরিচালনায় আসার প্রসঙ্গে দেব বলেন, শুরুতে তার এমন কোনো পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু চিত্রনাট্যকারদের দল তাকে বোঝান, পুরো বিষয়টি যেহেতু তার চিন্তা থেকে এসেছে, তাই পরিচালনার দায়িত্বও তারই নেওয়া উচিত। পরে নিজের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি বুঝতে পারেন, সিদ্ধান্তটি ভুল নয়।
দেবের মতে, বাংলা সিনেমাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার তুলনায় বাংলা চলচ্চিত্রের ক্যানভাস এখনও অনেকটাই পিছিয়ে আছে বলে মনে করেন তিনি। সেই জায়গা থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই বড় বাজেট ও বড় পরিসরের সিনেমা নির্মাণের ঝুঁকি নিয়েছেন তিনি।
শুধু কম বাজেটের ছবি তৈরি করে দ্রুত মুনাফা করার চিন্তা তার নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন দেব। বরং দর্শককে প্রেক্ষাগৃহে ফিরিয়ে আনতে এবং তাদের নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দিতে চান তিনি। আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণ ও বড় ক্যানভাসের গল্পের মাধ্যমে বাংলা সিনেমার পরিধি বাড়ানোই তার অন্যতম লক্ষ্য।
‘দেশু ৭’ তাই শুধু দেব-শুভশ্রীর জুটি কিংবা রোম্যান্সের কারণে নয়, দেবের পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশের কারণেও বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে। ছবিটি মুক্তির পর তার এই নতুন ভূমিকা কতটা সফল হয়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
