খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার শিক্ষা-দর্শন নতুন প্রজন্মের নৈতিক বিকাশে কার্যকর: ঢাবি সেমিনারে বক্তারা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার শিক্ষা ও অধ্যাত্মচেতনার সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় শিক্ষা ও অধ্যাত্মচেতনার সমন্বয়ের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে নৈতিকতা, মানবিকতা ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাবিদ ও সুফি-সাধক খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার শিক্ষা ও দর্শন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এবং খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা শুধু একজন সফল শিক্ষা প্রশাসক ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন উচ্চমার্গের আধ্যাত্মিক সাধক ও সমাজ সংস্কারক। অবিভক্ত বাংলার পিছিয়ে পড়া মুসলিম সমাজকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা এবং সমাজে অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রসারে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।
সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. মো. একরাম হোসেন। প্রবন্ধকার খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার শিক্ষা ও অধ্যাত্ম দর্শনের বিশ্লেষণ ও সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা টেনে বলেন বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর ও চরম বস্তুবাদী সমাজে যেখানে মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে, সেখানে তাঁর সমন্বিতশিক্ষা ও অধ্যাত্ম ভাবনা সামাজিক অবক্ষয় রূখে দিতে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ আমেরিকান মুসলিম এলায়েন্সের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শাইখ মুহাম্মদ সাইফুল আজম আজহারী।আজহারী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা অবিভক্ত বাংলার শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সাধনের পাশাপাশি বাংলাভাষা ও সাহিত্যচর্চায় মুসলিমদের উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। একই সাথে আধ্যাত্মিক সাধনাকে তিনি সামাজিক কল্যাণের পথ হিসেবে দেখিয়ে গেছেন। খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) প্রতিষ্ঠিত আহ্ছানিয়া মিশন তাঁর দর্শনের প্রাতিষ্ঠানিক সত্ত্বা হিসেবে অধ্যাত্মচেতনার পরিচর্যা করে চলেছে।
ফারসিভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুমিত আল রশিদের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এ এফ এম এনামুল হক ও ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসানুল হাদী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার,নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি এ এইচ এম মাহফুজুল হক, ইউনাইটেড গ্রুপের উপদেষ্টা আক্তার মাহমুদ রানা, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান প্রমুখ। সেমিনার আয়োজক কমিটির আহবায়ক ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপণ এবং খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার অধ্যাত্মচেতনায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত হতে আহবান জানান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এবং খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা শুধু একজন সফল শিক্ষা প্রশাসক ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন উচ্চমার্গের আধ্যাত্মিক সাধক ও সমাজ সংস্কারক। অবিভক্ত বাংলার পিছিয়ে পড়া মুসলিম সমাজকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা এবং সমাজে অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রসারে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।
সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. মো. একরাম হোসেন। প্রবন্ধকার খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার শিক্ষা ও অধ্যাত্ম দর্শনের বিশ্লেষণ ও সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা টেনে বলেন বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর ও চরম বস্তুবাদী সমাজে যেখানে মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে, সেখানে তাঁর সমন্বিতশিক্ষা ও অধ্যাত্ম ভাবনা সামাজিক অবক্ষয় রূখে দিতে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ আমেরিকান মুসলিম এলায়েন্সের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শাইখ মুহাম্মদ সাইফুল আজম আজহারী।আজহারী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা অবিভক্ত বাংলার শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সাধনের পাশাপাশি বাংলাভাষা ও সাহিত্যচর্চায় মুসলিমদের উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। একই সাথে আধ্যাত্মিক সাধনাকে তিনি সামাজিক কল্যাণের পথ হিসেবে দেখিয়ে গেছেন। খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) প্রতিষ্ঠিত আহ্ছানিয়া মিশন তাঁর দর্শনের প্রাতিষ্ঠানিক সত্ত্বা হিসেবে অধ্যাত্মচেতনার পরিচর্যা করে চলেছে।
ফারসিভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুমিত আল রশিদের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এ এফ এম এনামুল হক ও ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসানুল হাদী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার,নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি এ এইচ এম মাহফুজুল হক, ইউনাইটেড গ্রুপের উপদেষ্টা আক্তার মাহমুদ রানা, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান প্রমুখ। সেমিনার আয়োজক কমিটির আহবায়ক ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপণ এবং খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার অধ্যাত্মচেতনায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত হতে আহবান জানান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
