টাঙ্গাইলে মৎস্যবীজ খামার পরিদর্শন, ২০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উদ্বোধন প্রতিমন্ত্রীর
টাঙ্গাইলের আটপুকুরপাড়ে মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি খামারের বিভিন্ন অবকাঠামো ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শনের পাশাপাশি খামার প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ এবং ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
গতকাল খামার পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী পুকুর, হ্যাচারি, পোনা উৎপাদন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি মৎস্যবীজ উৎপাদনের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।
এ সময় মৎস্যবীজ উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান মাছের চাহিদা পূরণে উন্নতমানের মৎস্যবীজ উৎপাদনের কোনো বিকল্প নেই। নিরাপদ ও মানসম্পন্ন মৎস্যবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বাড়ানো এবং মৎস্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সরকারি মৎস্য খামারগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের মৎস্য উৎপাদনে নতুন গতি সঞ্চার হবে। এ জন্য সরকারি খামারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।
খামারে স্থাপিত ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌরশক্তি নির্ভর এ উদ্যোগ খামারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাকে আরো টেকসই ও সাশ্রয়ী করবে। সরকারি খামারগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে একদিকে যেমন উৎপাদন ব্যয় কমবে, অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষাও নিশ্চিত হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য সরকারি মৎস্য খামারেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। পরে প্রতিমন্ত্রী খামার প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
এ সময় মৎস্য অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের পরিচালক, ‘বিদ্যমান সরকারি মৎস্য খামারসমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের পরিচালক, টাঙ্গাইলের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
গতকাল খামার পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী পুকুর, হ্যাচারি, পোনা উৎপাদন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি মৎস্যবীজ উৎপাদনের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।
এ সময় মৎস্যবীজ উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান মাছের চাহিদা পূরণে উন্নতমানের মৎস্যবীজ উৎপাদনের কোনো বিকল্প নেই। নিরাপদ ও মানসম্পন্ন মৎস্যবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বাড়ানো এবং মৎস্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সরকারি মৎস্য খামারগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের মৎস্য উৎপাদনে নতুন গতি সঞ্চার হবে। এ জন্য সরকারি খামারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।
খামারে স্থাপিত ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌরশক্তি নির্ভর এ উদ্যোগ খামারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাকে আরো টেকসই ও সাশ্রয়ী করবে। সরকারি খামারগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে একদিকে যেমন উৎপাদন ব্যয় কমবে, অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষাও নিশ্চিত হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য সরকারি মৎস্য খামারেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। পরে প্রতিমন্ত্রী খামার প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
এ সময় মৎস্য অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের পরিচালক, ‘বিদ্যমান সরকারি মৎস্য খামারসমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের পরিচালক, টাঙ্গাইলের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
