‘তরুণ সমাজ চাইলে দেশ পুনর্গঠনে কেউ বাধা দিতে পারবে না’: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ ও শিক্ষার্থী ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনে এগিয়ে এলে তাদের কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে জাতীয় আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী তিন মাসে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অন্তত ৮০ শতাংশ উন্নতি করা সম্ভব।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে একটা সাহায্য চাই। বাংলাদেশে স্কাউটের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, ডিএনসিসির সদস্য সংখ্যা ২২ হাজার এবং দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় চার কোটি। এত মানুষ যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চায়, তাহলে কেউ কি আমাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? পারবে না।’
তিনি বলেন, এখন দেশের মানুষের দায়িত্ব হলো কীভাবে দেশকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া। ‘দেশকে গড়ে তুলতে হবে, কারণ আমরা এখানে থাকব’—বলেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের তরুণ সমাজ পরিবর্তনের বড় শক্তি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তরুণরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়েছে, তারা চাইলে পরিবর্তন আনতে পারে। পরিবর্তনের সূচনা তরুণ সমাজই করেছে। এখন সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শতভাগ সফলতা অর্জন সম্ভব না হলেও ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডেঙ্গুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাঙা-চোরা জিনিসপত্র, মাটির পাত্রসহ বিভিন্ন পরিত্যক্ত সামগ্রীতে পানি জমে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। তাই এসব জায়গা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাঠে বা জনসমাগমস্থলে টিস্যু, পানির বোতল কিংবা অন্যান্য ময়লা ফেলে রাখলে তা শুধু পরিবেশ নষ্ট করে না, পরবর্তী সময়ে রোগ-জীবাণু ছড়ানোর কারণও হতে পারে।
তিনি বলেন, কেউ হয়তো ভাবতে পারেন, ময়লা-আবর্জনা থেকে তার কী হবে। কিন্তু সেই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে নিজের পরিবারের সদস্য কিংবা প্রিয়জন অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও দেশ—সব পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কাজটা খুব কঠিন না। আজকে হয়তো আপনাদের একটু কষ্ট হবে। প্রতি সপ্তাহে আমরা যদি ১ ঘণ্টা সময় দিই, নিজেদের বাসা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থল পরিষ্কার করতে, তাহলে অবশ্যই দ্রুততার সঙ্গে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবো।
তারেক রহমান বলেন, যারা ময়লা-আবর্জনা করবে, আসুন তাদের আমরা নিরুসাহিত করি, তাদের বলি—‘যেখানে সেখানে ময়লা করবেন না’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে দেশকে পরিবর্তন করতে হয়। পরিবর্তন হয়েছে। তরুণ সমাজের কাছে আমার আহ্বান, আসুন এবার আমরা রাষ্ট্রকে, দেশকে পুনর্গঠন করি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে একটা সাহায্য চাই। বাংলাদেশে স্কাউটের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, ডিএনসিসির সদস্য সংখ্যা ২২ হাজার এবং দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় চার কোটি। এত মানুষ যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চায়, তাহলে কেউ কি আমাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? পারবে না।’
তিনি বলেন, এখন দেশের মানুষের দায়িত্ব হলো কীভাবে দেশকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া। ‘দেশকে গড়ে তুলতে হবে, কারণ আমরা এখানে থাকব’—বলেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের তরুণ সমাজ পরিবর্তনের বড় শক্তি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তরুণরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়েছে, তারা চাইলে পরিবর্তন আনতে পারে। পরিবর্তনের সূচনা তরুণ সমাজই করেছে। এখন সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শতভাগ সফলতা অর্জন সম্ভব না হলেও ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডেঙ্গুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাঙা-চোরা জিনিসপত্র, মাটির পাত্রসহ বিভিন্ন পরিত্যক্ত সামগ্রীতে পানি জমে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। তাই এসব জায়গা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাঠে বা জনসমাগমস্থলে টিস্যু, পানির বোতল কিংবা অন্যান্য ময়লা ফেলে রাখলে তা শুধু পরিবেশ নষ্ট করে না, পরবর্তী সময়ে রোগ-জীবাণু ছড়ানোর কারণও হতে পারে।
তিনি বলেন, কেউ হয়তো ভাবতে পারেন, ময়লা-আবর্জনা থেকে তার কী হবে। কিন্তু সেই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে নিজের পরিবারের সদস্য কিংবা প্রিয়জন অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও দেশ—সব পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কাজটা খুব কঠিন না। আজকে হয়তো আপনাদের একটু কষ্ট হবে। প্রতি সপ্তাহে আমরা যদি ১ ঘণ্টা সময় দিই, নিজেদের বাসা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থল পরিষ্কার করতে, তাহলে অবশ্যই দ্রুততার সঙ্গে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবো।
তারেক রহমান বলেন, যারা ময়লা-আবর্জনা করবে, আসুন তাদের আমরা নিরুসাহিত করি, তাদের বলি—‘যেখানে সেখানে ময়লা করবেন না’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে দেশকে পরিবর্তন করতে হয়। পরিবর্তন হয়েছে। তরুণ সমাজের কাছে আমার আহ্বান, আসুন এবার আমরা রাষ্ট্রকে, দেশকে পুনর্গঠন করি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
