বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। তেলের দাম কিছুটা কমে আসা এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনের অপেক্ষায় থাকা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ায় ধাতুটির দামে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে পুরো সপ্তাহের হিসাবে স্বর্ণের দাম এখনো কমতির দিকেই রয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৬ দশমিক ৪৪ ডলারে উঠেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল।
ওই দিন প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) প্রতিবেদনে আগস্টে জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত থাকার চিত্র উঠে আসে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর ডেলিভারির স্বর্ণের ফিউচার ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৮৮ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সাক্সো ব্যাংকের পণ্যবাজার কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেন বলেন, তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় স্বর্ণের বাজার সুবিধা পাচ্ছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মন্ত্রীদের সঙ্গে ইরানের বৈঠক থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আসতে পারে—এমন প্রত্যাশাও বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পাশাপাশি ৪ হাজার ৩০০ ডলারের কাছাকাছি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পর্যায়ে ক্রেতারাও আবার সক্রিয় হয়েছেন।
তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশাও জোরালো হয়। তবে সুদের হার বাড়লে কোনো সুদ বা আয় না দেওয়া স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ কমে যায়।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে পরিচালনার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে ওমান ও ইরানের উদ্যোগে উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করছেন।
এদিকে তেলের দাম কিছুটা কমলেও সপ্তাহ শেষে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাজারে এখন আগামী সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের নীতি নির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের তথ্য প্রকাশের আগে এই সম্ভাবনা ছিল ৬২ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার ১২টা ৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ফেডের পরবর্তী মুদ্রানীতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা।
অন্যদিকে, ভারতে চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের চাহিদা ছিল দুর্বল। দামের অস্থিরতার কারণে ক্রেতারা সতর্ক থাকায় দেশটিতে স্বর্ণের কেনাকাটা কমেছে। তবে বিশ্বের শীর্ষ ভোক্তা দেশ চীনে বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা এখনো শক্তিশালী রয়েছে।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৪ দশমিক ০৮ ডলারে উঠেছে। তবে সপ্তাহের হিসাবে রুপার দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮০০ দশমিক ২৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০২ দশমিক ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য সাপ্তাহিক হিসাবে এই দুই ধাতুর দামও কমতির দিকেই রয়েছে।
এটিএন নিউজ/মা.ই.স
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৬ দশমিক ৪৪ ডলারে উঠেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল।
ওই দিন প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) প্রতিবেদনে আগস্টে জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত থাকার চিত্র উঠে আসে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর ডেলিভারির স্বর্ণের ফিউচার ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৮৮ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সাক্সো ব্যাংকের পণ্যবাজার কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেন বলেন, তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় স্বর্ণের বাজার সুবিধা পাচ্ছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মন্ত্রীদের সঙ্গে ইরানের বৈঠক থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আসতে পারে—এমন প্রত্যাশাও বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পাশাপাশি ৪ হাজার ৩০০ ডলারের কাছাকাছি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পর্যায়ে ক্রেতারাও আবার সক্রিয় হয়েছেন।
তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশাও জোরালো হয়। তবে সুদের হার বাড়লে কোনো সুদ বা আয় না দেওয়া স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ কমে যায়।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে পরিচালনার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে ওমান ও ইরানের উদ্যোগে উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করছেন।
এদিকে তেলের দাম কিছুটা কমলেও সপ্তাহ শেষে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাজারে এখন আগামী সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের নীতি নির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের তথ্য প্রকাশের আগে এই সম্ভাবনা ছিল ৬২ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার ১২টা ৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ফেডের পরবর্তী মুদ্রানীতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা।
অন্যদিকে, ভারতে চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের চাহিদা ছিল দুর্বল। দামের অস্থিরতার কারণে ক্রেতারা সতর্ক থাকায় দেশটিতে স্বর্ণের কেনাকাটা কমেছে। তবে বিশ্বের শীর্ষ ভোক্তা দেশ চীনে বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা এখনো শক্তিশালী রয়েছে।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৪ দশমিক ০৮ ডলারে উঠেছে। তবে সপ্তাহের হিসাবে রুপার দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮০০ দশমিক ২৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০২ দশমিক ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য সাপ্তাহিক হিসাবে এই দুই ধাতুর দামও কমতির দিকেই রয়েছে।
এটিএন নিউজ/মা.ই.স
