হামের উপসর্গ উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩৬
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩৬টি শিশু।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৮টা হতে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৯৯ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৯৯ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৭। এই সময়ে ১ হাজার ৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৩৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
এটিএন নিউজ/মা.ই.স
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৮টা হতে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৯৯ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৯৯ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৭। এই সময়ে ১ হাজার ৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৩৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
এটিএন নিউজ/মা.ই.স
