সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, মামলা তুলে নিতে হুমকি
চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় এক সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন রিফাত স্যাটেলাইট টেলিভিশন এটিএন নিউজে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন রিফাতের অভিযোগ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে তাদের পাকা ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
সাংবাদিক রিফাত আরও জানান, চাঁদা না দেওয়ার জেরে গত ১৫ আগস্ট মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে দিনে-দুপুরে তাদের গ্রামের বাড়িতে হামলা করে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী। এ সময় তারা ঘরের তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে। লুটপাটে বাধা দিতে গেলে তার মাকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করে সন্ত্রাসীরা। পুরো ঘটনা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে।
নিজেও হত্যার হুমকি ও হয়রানির শিকার দাবি করে সাংবাদিক রিফাত জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাকে স্থানীয় কয়েকজন সন্ত্রাসী মেরে ফেলার ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। সবশেষ বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রামে গেলে পুলিশের সামনেই তাকে মারতে আসেন জড়িতরা।
এ ঘটনায় তার মা রহিমা আক্তার বাদী হয়ে মীরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলা ও লুটপাটের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করছে না। এ সুযোগে আসামিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। দিচ্ছে প্রাণনাশের হুমকিও। সবশেষ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আসামিরা বাড়িতে গিয়ে মামলার বাদীকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেয় এবং মামলা তুলে না নিলে সামাজিকভাবে হয়রানি করারও হুমকি দিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেন থানার ওসি (তদন্ত) আওলাদ হোসেন। তিনি জানান, থানার ওসি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। মামলাটির বিষয়ে বিস্তারিত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) এসএম কামাল হোসাইন দিতে পারবেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম কামাল হোসাইনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
ভুক্তভোগী সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন রিফাতের অভিযোগ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে তাদের পাকা ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
সাংবাদিক রিফাত আরও জানান, চাঁদা না দেওয়ার জেরে গত ১৫ আগস্ট মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে দিনে-দুপুরে তাদের গ্রামের বাড়িতে হামলা করে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী। এ সময় তারা ঘরের তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে। লুটপাটে বাধা দিতে গেলে তার মাকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করে সন্ত্রাসীরা। পুরো ঘটনা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে।
নিজেও হত্যার হুমকি ও হয়রানির শিকার দাবি করে সাংবাদিক রিফাত জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাকে স্থানীয় কয়েকজন সন্ত্রাসী মেরে ফেলার ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। সবশেষ বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রামে গেলে পুলিশের সামনেই তাকে মারতে আসেন জড়িতরা।
এ ঘটনায় তার মা রহিমা আক্তার বাদী হয়ে মীরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলা ও লুটপাটের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করছে না। এ সুযোগে আসামিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। দিচ্ছে প্রাণনাশের হুমকিও। সবশেষ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আসামিরা বাড়িতে গিয়ে মামলার বাদীকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেয় এবং মামলা তুলে না নিলে সামাজিকভাবে হয়রানি করারও হুমকি দিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেন থানার ওসি (তদন্ত) আওলাদ হোসেন। তিনি জানান, থানার ওসি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। মামলাটির বিষয়ে বিস্তারিত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) এসএম কামাল হোসাইন দিতে পারবেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম কামাল হোসাইনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
