সমালোচনা করলেই আইনি নোটিশ ধরিয়ে দিচ্ছেন যশ, বিতর্কে অভিনেতা
দক্ষিণী তারকা যশ অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘টক্সিক’ মুক্তির পর থেকেই নানা কারণে আলোচনায় রয়েছে। সিনেমাটি নিয়ে নেতিবাচক রিভিউ ও সমালোচনামূলক কনটেন্ট প্রকাশের পর কয়েকজন ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে আইনি নোটিশ পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে অভিনেতা যশ ও সিনেমাটির প্রযোজনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
গীতু মোহনদাস পরিচালিত মেগাবাজেটের এই সিনেমা মুক্তির পর এর গল্প, সম্পাদনা ও চরিত্রায়ন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র সমালোচক ছবিটিতে অতিরিক্ত সহিংসতা, নারীর অবমূল্যায়ন এবং দুর্বল চিত্রনাট্যের অভিযোগ তোলেন। তাদের মতে, সিনেমাটির চিত্রগ্রহণ ও বাণিজ্যিক উপাদান আকর্ষণীয় হলেও দুর্বল গল্প ও অসংলগ্ন সম্পাদনা দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে সিনেমাটি নিয়ে সমালোচনামূলক ভিডিও ও পোস্ট প্রকাশের পর একাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর আইনি নোটিশ পাওয়ার দাবি করেছেন। ‘মুরুগল রোস্ট’খ্যাত রিভিউয়ার প্রশান্ত রঙ্গস্বামী এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সুরাজ কুমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পাওয়া ই-মেইলের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। সেখানে বিতর্কিত বলে দাবি করা কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘আইপ্লেক্স সফটওয়্যার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি আইনি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর কয়েকজন ইউটিউবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সিনেমা নিয়ে নিজেদের মতামত ও সমালোচনা প্রকাশের কারণে তাদের আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এরই মধ্যে গত ২২ আগস্ট বেঙ্গালুরুর একটি আদালত ‘টক্সিক’ সিনেমাকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর তথ্য প্রচার বন্ধে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে জানা গেছে। তবে আদালতের নির্দেশে নিরপেক্ষ চলচ্চিত্র পর্যালোচনা বা গঠনমূলক সমালোচনাকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
এ কারণে সাধারণ রিভিউয়ারদের বিরুদ্ধেও আইনি নোটিশ পাঠানোর অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচনা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সীমা কোথায় এবং কোন ধরনের কনটেন্ট মানহানিকর হিসেবে বিবেচিত হবে—তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে বিতর্কের মধ্যেও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করছে ‘টক্সিক’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ফলে সমালোচনা ও আইনি বিতর্কের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সাফল্যের কারণেও সিনেমাটি আলোচনায় রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
গীতু মোহনদাস পরিচালিত মেগাবাজেটের এই সিনেমা মুক্তির পর এর গল্প, সম্পাদনা ও চরিত্রায়ন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র সমালোচক ছবিটিতে অতিরিক্ত সহিংসতা, নারীর অবমূল্যায়ন এবং দুর্বল চিত্রনাট্যের অভিযোগ তোলেন। তাদের মতে, সিনেমাটির চিত্রগ্রহণ ও বাণিজ্যিক উপাদান আকর্ষণীয় হলেও দুর্বল গল্প ও অসংলগ্ন সম্পাদনা দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে সিনেমাটি নিয়ে সমালোচনামূলক ভিডিও ও পোস্ট প্রকাশের পর একাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর আইনি নোটিশ পাওয়ার দাবি করেছেন। ‘মুরুগল রোস্ট’খ্যাত রিভিউয়ার প্রশান্ত রঙ্গস্বামী এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সুরাজ কুমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পাওয়া ই-মেইলের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। সেখানে বিতর্কিত বলে দাবি করা কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘আইপ্লেক্স সফটওয়্যার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি আইনি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর কয়েকজন ইউটিউবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সিনেমা নিয়ে নিজেদের মতামত ও সমালোচনা প্রকাশের কারণে তাদের আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এরই মধ্যে গত ২২ আগস্ট বেঙ্গালুরুর একটি আদালত ‘টক্সিক’ সিনেমাকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর তথ্য প্রচার বন্ধে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে জানা গেছে। তবে আদালতের নির্দেশে নিরপেক্ষ চলচ্চিত্র পর্যালোচনা বা গঠনমূলক সমালোচনাকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
এ কারণে সাধারণ রিভিউয়ারদের বিরুদ্ধেও আইনি নোটিশ পাঠানোর অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচনা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সীমা কোথায় এবং কোন ধরনের কনটেন্ট মানহানিকর হিসেবে বিবেচিত হবে—তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে বিতর্কের মধ্যেও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করছে ‘টক্সিক’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ফলে সমালোচনা ও আইনি বিতর্কের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সাফল্যের কারণেও সিনেমাটি আলোচনায় রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
