সবজির বাজারে স্বস্তি নেই, ২০০ টাকায় শিম; কমেছে কাঁচামরিচের দাম
রাজধানীর খুচরা বাজারে গেল সপ্তাহের তুলনায় কাঁচা মরিচের দাম অনেকটা কমতির দিকে। সাম্প্রতিক সময়ে সবজির দামে কিছুটা ওঠানামা থাকলেও বাজার এখনও স্বস্তিদায়ক নয়। বাজারে সবচেয়ে দামি সবজি শিম আর সবচেয়ে কমদামি সবজি এখন পেঁপে। অন্যান্য সবজি কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকা।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর মালিবাগ ও রামপুরা কাঁচাবাজার ঘুরে বাজারের এ চিত্র পাওয়া গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে ঢেঁড়স, কাঁকরোল, পটল, ধুন্দুল, কচুরমুখি ও কচুর লতির মতো সবজির সরবরাহ সাধারণত বাড়ে। ফলে এ সময়ে এসব সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকার কথা। তবে বাজার ঘুরে দেখা যায় এসবের বেশির ভাগই ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমেই বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে ৩০ টাকা কেজিতে।
বাজারে কাঁকরোলের দাম ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজি। এছাড়া চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, হাইব্রিড ধুন্দুল ৭০ টাকা এবং জাতভেদে বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
লাউ বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পিস। কচু ১০০ টাকা এবং মাঝারি আকারের ফুলকপি ১০০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচে বড় স্বস্তি
সবজির বাজারে অস্বস্তি থাকলেও কাঁচামরিচের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৪০০ টাকা বা তারও বেশি উঠেছিল। গত সপ্তাহে তা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে ছিল। তবে শনিবার খুচরা বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১২০ টাকা কেজি দরে।
মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী মনির হোসেন বলেন, ভারতীয় কাঁচামরিচের চালান বাজারে আসার পর সরবরাহ বেড়েছে। এতে দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
এদিকে পেঁয়াজের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কমছে না বাজার খরচ
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী তৌহিদুর বলেন, কাঁচামরিচের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে অন্যান্য সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো বেশি। গত সপ্তাহের তুলনায় কিছু সবজির দাম কমতে শুরু করলেও এতে সামগ্রিক বাজার খরচে তেমন কোনো প্রভাব পড়ছে না।
বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি এবং এক হালি লেবু ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দেশি ধনিয়াপাতা কেজি ২৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনিয়াপাতা ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক হালি কাঁচা কলার দাম ৫০ টাকা। চালকুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস।
শাকের বাজারেও খুব একটা স্বস্তি নেই। লাল শাকের আঁটি ২০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক ৩০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে কাঁচামরিচের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও অধিকাংশ সবজির দাম এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বর্ষা মৌসুমে সরবরাহ বাড়ার পরও কেন দাম প্রত্যাশিত মাত্রায় কমছে না, তা নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে অসন্তোষ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর মালিবাগ ও রামপুরা কাঁচাবাজার ঘুরে বাজারের এ চিত্র পাওয়া গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে ঢেঁড়স, কাঁকরোল, পটল, ধুন্দুল, কচুরমুখি ও কচুর লতির মতো সবজির সরবরাহ সাধারণত বাড়ে। ফলে এ সময়ে এসব সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকার কথা। তবে বাজার ঘুরে দেখা যায় এসবের বেশির ভাগই ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমেই বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে ৩০ টাকা কেজিতে।
বাজারে কাঁকরোলের দাম ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজি। এছাড়া চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, হাইব্রিড ধুন্দুল ৭০ টাকা এবং জাতভেদে বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
লাউ বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পিস। কচু ১০০ টাকা এবং মাঝারি আকারের ফুলকপি ১০০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচে বড় স্বস্তি
সবজির বাজারে অস্বস্তি থাকলেও কাঁচামরিচের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৪০০ টাকা বা তারও বেশি উঠেছিল। গত সপ্তাহে তা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে ছিল। তবে শনিবার খুচরা বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১২০ টাকা কেজি দরে।
মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী মনির হোসেন বলেন, ভারতীয় কাঁচামরিচের চালান বাজারে আসার পর সরবরাহ বেড়েছে। এতে দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
এদিকে পেঁয়াজের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কমছে না বাজার খরচ
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী তৌহিদুর বলেন, কাঁচামরিচের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে অন্যান্য সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো বেশি। গত সপ্তাহের তুলনায় কিছু সবজির দাম কমতে শুরু করলেও এতে সামগ্রিক বাজার খরচে তেমন কোনো প্রভাব পড়ছে না।
বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি এবং এক হালি লেবু ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দেশি ধনিয়াপাতা কেজি ২৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনিয়াপাতা ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক হালি কাঁচা কলার দাম ৫০ টাকা। চালকুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস।
শাকের বাজারেও খুব একটা স্বস্তি নেই। লাল শাকের আঁটি ২০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক ৩০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে কাঁচামরিচের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও অধিকাংশ সবজির দাম এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বর্ষা মৌসুমে সরবরাহ বাড়ার পরও কেন দাম প্রত্যাশিত মাত্রায় কমছে না, তা নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে অসন্তোষ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
