ATN
শিরোনাম
  •  

বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

         
বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার কুমারশাইল সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড .২২ বোরের গুলি ও ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক ভারতীয় চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, ভারতীয় একটি চোরাকারবারি চক্র বড়লেখা উপজেলার কুমারশাইল সীমান্ত এলাকা দিয়ে অস্ত্র ও মাদকের চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করবে।

সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ টহলদল কুমারশাইল এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। পরে চোরাকারবারি দলের সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন।

বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবি সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে একজনকে আটক করতে সক্ষম হন।

আটকের পর তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড .২২ বোরের গোলাবারুদ এবং ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তি সীমান্তবর্তী চোরাচালান চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদক বাংলাদেশে সরবরাহের উদ্দেশ্যে ভারত থেকে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় পলাতক চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও আটকের লক্ষ্যে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ আতাউর রহমান সুজন বলেন, সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ