ATN
শিরোনাম
  •  

চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

         
চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরে উচ্চমানের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

গুয়াংডং প্রদেশের কিংইউয়ান শহরের গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটিতে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। গুয়াংডং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেড ভোকেশনাল কলেজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটি ও প্রদেশটির ১১টি কারিগরি ও ভোকেশনাল কলেজ অংশ নেয়।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের বিপুল সম্ভাবনার প্রতীক। এই সম্ভাবনাকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপ দিতে মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে।

তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ও শিল্পের সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আধুনিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষায় দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী চীনের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কারিগরি প্রশিক্ষণ খাতে অর্জিত সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ আধুনিক কারিগরি শিক্ষা সংস্কারে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা বিনিময় আরও গভীর করা সম্ভব। এ ধরনের সহযোগিতা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে গুয়াংডং ‘চাইনিজ ভোকেশনাল স্কিলস’ ইন্ডাস্ট্রি-এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন অ্যালায়েন্সের উদ্বোধন করা হয়। পরে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন। তারা রোবোটিক্স, রোবট প্রোগ্রামিং এবং চীনা চা সংস্কৃতির বিভিন্ন প্রদর্শনীও প্রত্যক্ষ করেন।

এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল গুয়াংডংয়ের কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং শিল্পমুখী শিক্ষার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ