কিরগিজস্তানের নোম্যাড গেমসে বাংলাদেশের লোকগানের সুর ছড়াবেন সূচনা শেলী
বাংলাদেশের লোকসংগীতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে এবার কিরগিজস্তানের ‘ওয়ার্ল্ড নোম্যাড গেমস’-এ অংশ নিতে যাচ্ছেন দেশের লোকশিল্পী সূচনা শেলী। উৎসবের সাংস্কৃতিক আয়োজনে লোকগানের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। তার সঙ্গে থাকবে নিজস্ব ব্যান্ড ‘দিব্যজ্ঞানী’।
কিরগিজস্তানের অন্যতম বড় এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের ষষ্ঠ আসর শুরু হবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর। চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ আয়োজনে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মিলন ঘটবে। মূলত যাযাবর বা নোম্যাড জনগোষ্ঠীর জীবনধারা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উদযাপন করতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এবারের আসরের সাংস্কৃতিক পর্বে লোকগানের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের লোকসংগীতের নিজস্ব সুর, ঐতিহ্য ও মরমি দর্শন তুলে ধরবেন সূচনা শেলী ও তার দল। পরিবেশনায় বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন, বাউল দর্শন এবং লালনের মানবতাবাদী চিন্তার পাশাপাশি বাংলার মরমি সংগীতের বৈচিত্র্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে সূচনা শেলী বলেন, ‘বাংলাদেশের লোকসংগীত শুধু আমাদের সংস্কৃতির অংশ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের মানুষের জীবন, দর্শন, আত্ম-অনুসন্ধান ও মানবিকতার দীর্ঘ ঐতিহ্য। আন্তর্জাতিক একটি মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই গান ও দর্শনকে বিশ্বের মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারা আমার জন্য একই সঙ্গে আনন্দের ও গর্বের।’
তিনি আরও বলেন, ‘চেষ্টা করব আমাদের পরিবেশনায় বাংলার মাটি, মানুষের জীবন, লালনের মানবতাবাদী দর্শন এবং বাংলার মরমি সংগীতের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে। প্রতিযোগিতায় ভালো করার পাশাপাশি বিশ্বের মানুষের কাছে বাংলাদেশের লোকসংগীতের স্বকীয়তা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
এর আগে ২০২৫ সালে কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন সূচনা শেলী। সেখানে শতাধিক দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে লোকগান নিয়ে কাজ করছেন সূচনা শেলী। দেশীয় মঞ্চের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আয়োজনে বাংলাদেশের লোকঐতিহ্যের গান পরিবেশন করে ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। এবার ‘ওয়ার্ল্ড নোম্যাড গেমস’-এর মঞ্চে তার পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের লোকসংগীতের ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা আরও বিস্তৃত পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
কিরগিজস্তানের অন্যতম বড় এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের ষষ্ঠ আসর শুরু হবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর। চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ আয়োজনে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মিলন ঘটবে। মূলত যাযাবর বা নোম্যাড জনগোষ্ঠীর জীবনধারা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উদযাপন করতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এবারের আসরের সাংস্কৃতিক পর্বে লোকগানের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের লোকসংগীতের নিজস্ব সুর, ঐতিহ্য ও মরমি দর্শন তুলে ধরবেন সূচনা শেলী ও তার দল। পরিবেশনায় বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন, বাউল দর্শন এবং লালনের মানবতাবাদী চিন্তার পাশাপাশি বাংলার মরমি সংগীতের বৈচিত্র্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে সূচনা শেলী বলেন, ‘বাংলাদেশের লোকসংগীত শুধু আমাদের সংস্কৃতির অংশ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের মানুষের জীবন, দর্শন, আত্ম-অনুসন্ধান ও মানবিকতার দীর্ঘ ঐতিহ্য। আন্তর্জাতিক একটি মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই গান ও দর্শনকে বিশ্বের মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারা আমার জন্য একই সঙ্গে আনন্দের ও গর্বের।’
তিনি আরও বলেন, ‘চেষ্টা করব আমাদের পরিবেশনায় বাংলার মাটি, মানুষের জীবন, লালনের মানবতাবাদী দর্শন এবং বাংলার মরমি সংগীতের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে। প্রতিযোগিতায় ভালো করার পাশাপাশি বিশ্বের মানুষের কাছে বাংলাদেশের লোকসংগীতের স্বকীয়তা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
এর আগে ২০২৫ সালে কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন সূচনা শেলী। সেখানে শতাধিক দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে লোকগান নিয়ে কাজ করছেন সূচনা শেলী। দেশীয় মঞ্চের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আয়োজনে বাংলাদেশের লোকঐতিহ্যের গান পরিবেশন করে ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। এবার ‘ওয়ার্ল্ড নোম্যাড গেমস’-এর মঞ্চে তার পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের লোকসংগীতের ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা আরও বিস্তৃত পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
