নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ ও সরকারের সমালোচনার অধিকার সবার: আইনমন্ত্রী
নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমের বাইরে দেশের সব নাগরিকের সভা-সমাবেশ ও সরকারের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। জনগণ যাতে নির্ভয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, গত ছয় মাসে একটি গুমের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া আরও তিনটি অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। গুমের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি।
মিথ্যা মামলা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, দেশে কোনো মিথ্যা মামলা হচ্ছে না—এমন দাবি করা যাবে না। তবে এ বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধ আইন নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত আইনে কিছু জটিলতা রয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর আইনটি সংসদে উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধান যতদিন বহাল থাকবে, ততদিন সময় ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এতে সংস্কার করতে হবে। তবে সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রস্তাব ও নাম এখনো পাওয়া যায়নি।
সেমিনারে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মানবাধিকার, আইনশৃঙ্খলা এবং সংবিধান সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, গত ছয় মাসে একটি গুমের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া আরও তিনটি অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। গুমের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি।
মিথ্যা মামলা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, দেশে কোনো মিথ্যা মামলা হচ্ছে না—এমন দাবি করা যাবে না। তবে এ বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধ আইন নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত আইনে কিছু জটিলতা রয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর আইনটি সংসদে উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধান যতদিন বহাল থাকবে, ততদিন সময় ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এতে সংস্কার করতে হবে। তবে সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রস্তাব ও নাম এখনো পাওয়া যায়নি।
সেমিনারে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মানবাধিকার, আইনশৃঙ্খলা এবং সংবিধান সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
