ATN
শিরোনাম
  •  

নাশতা না করে অফিসে ছুটছেন? বাড়তে পারে দুর্বলতা, অ্যাসিডিটি ও মনোযোগের সমস্যা

         
নাশতা না করে অফিসে ছুটছেন? বাড়তে পারে দুর্বলতা, অ্যাসিডিটি ও মনোযোগের সমস্যা

নাশতা না করে অফিসে ছুটছেন? বাড়তে পারে দুর্বলতা, অ্যাসিডিটি ও মনোযোগের সমস্যা

ব্যস্ত জীবনযাত্রায় অনেকেই সকালে নাশতা না করেই কর্মস্থলের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েন। ঘুম থেকে ওঠার পর তাড়াহুড়ো করে অফিসে যাওয়ার কারণে দীর্ঘসময় খালি পেটে থাকতে হয় অনেককে। তবে নিয়মিত এভাবে দিনের শুরু করলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, ক্ষুধা ও মনোযোগের সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

সকালের নাশতা দিনের শুরুতে শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলে বিশেষ করে যাদের রক্তে শর্করার ওঠানামার প্রবণতা রয়েছে, তাদের দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। এর প্রভাব কাজের মনোযোগ ও কর্মক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে।

খালি পেটে দীর্ঘসময় থাকার কারণে অনেকের পেটে অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়তে পারে। তবে শুধু নাশতা না করার কারণে আলসার হয়—এমনটা বলা ঠিক নয়। পেপটিক আলসারের পেছনে Helicobacter pylori সংক্রমণ, ব্যথানাশক ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

সকালে না খেয়ে থাকলে অতিরিক্ত ক্ষুধার কারণে মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে অসুবিধা হতে পারে। ফলে দীর্ঘ কর্মঘণ্টায় স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে নাশতা বাদ দিলেই শরীরে প্রোটিন বা কেরাটিন মারাত্মকভাবে কমে গিয়ে চুল পড়বে—এমন সরাসরি সম্পর্কের দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত নয়। একইভাবে শুধু নাশতা না করার কারণে হৃদরোগ হবে, এটিও সরাসরি বলা যায় না। খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, ওজন, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপানসহ হৃদরোগের ঝুঁকিতে আরও অনেক বিষয় ভূমিকা রাখে।

কীভাবে শুরু করবেন সকাল

সকালে সময় কম থাকলেও অল্প পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। ডিম, দই, ফল, বাদাম, ওটস বা পূর্ণ শস্যের তৈরি খাবার সহজ ও পুষ্টিকর বিকল্প হতে পারে। দীর্ঘসময় বাইরে থাকতে হলে সঙ্গে হালকা স্বাস্থ্যকর খাবার রাখা যেতে পারে।

পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি। বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় শরীরের পানির চাহিদা বাড়তে পারে।

খাবার খাওয়ার পরও যদি নিয়মিত মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, পেটে ব্যথা, বমি বা তীব্র অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

দিনের ব্যস্ততা যতই থাকুক, শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে সকালের খাবারকে গুরুত্ব দেওয়া স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট লাইফস্টাইল সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ