ডাকসুর নেতৃত্ব থেকে বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে আমানউল্লাহ আমান
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার স্বীকৃতি হিসেবে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক ডাকসু ভিপি আমানউল্লাহ আমান। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় রাজনীতি এবং বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার পর দলের গুরুত্বপূর্ণ এই ফোরামে তার অন্তর্ভুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
১৯৬২ সালে ঢাকার কেরানীগঞ্জে জন্ম নেওয়া আমানউল্লাহ আমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। ডাকসুর নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে তার পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৩ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আমানউল্লাহ আমান। এরপর বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। ২০০১ সালের নির্বাচনের পরও বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কেরানীগঞ্জের রাজনীতিতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন আমানউল্লাহ আমান। বিরোধী দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার সময় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি একাধিকবার কারাবরণও করেন তিনি।
দলের স্থায়ী কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও মাঠের রাজনীতির সমন্বয় ঘটবে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এবং রাজপথের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা দলটির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে কাজে আসবে বলে প্রত্যাশা তাদের।
অমানউল্লাহ আমানের স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তিকে ঘিরে কেরানীগঞ্জের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আমানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং মাঠপর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
১৯৬২ সালে ঢাকার কেরানীগঞ্জে জন্ম নেওয়া আমানউল্লাহ আমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। ডাকসুর নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে তার পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৩ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আমানউল্লাহ আমান। এরপর বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। ২০০১ সালের নির্বাচনের পরও বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কেরানীগঞ্জের রাজনীতিতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন আমানউল্লাহ আমান। বিরোধী দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার সময় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি একাধিকবার কারাবরণও করেন তিনি।
দলের স্থায়ী কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও মাঠের রাজনীতির সমন্বয় ঘটবে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এবং রাজপথের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা দলটির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে কাজে আসবে বলে প্রত্যাশা তাদের।
অমানউল্লাহ আমানের স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তিকে ঘিরে কেরানীগঞ্জের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আমানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং মাঠপর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
