রাজশাহী কলেজের ১৫০ বছর পূর্তি হবে ঐতিহ্য ও মিলনমেলার উৎসব
রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশের-বিদেশের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃহৎ মিলনমেলার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ আয়োজনকে ঐক্য, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের উৎসব হিসেবে অভিহিত করেছেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু।
বৃহস্পতিবার ঢাকার হেয়ার রোডে ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। তিনি বলেন, রাজশাহী কলেজ আমাদের সবার মা। মায়ের সন্তানের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের এক ছাতার নিচে এনে দেড়শত বর্ষ উদযাপন করতে হবে। এ আয়োজন বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
তিনি জানান, দীর্ঘ ১৫০ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে রাজশাহী কলেজ বহু প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে। দেশ-বিদেশে থাকা সব প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধনের মাধ্যমে বর্ষপূর্তি আয়োজনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রয়োজনে মহাদেশভিত্তিক অ্যালামনাই কমিটি গঠন করে ঐতিহাসিক এ মিলনমেলাকে স্মরণীয় করে তোলার পরামর্শ দেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেড়শত বর্ষ উদযাপনকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে একটি স্মারক ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে। রাজশাহী কলেজের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস শুধু বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমাদৃত। তাই ১৫০তম বর্ষপূর্তি হবে রাজশাহী কলেজ পরিবারের সব প্রজন্মের মহামিলনের উৎসব।
রাজশাহী কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহযোগিতায় কলেজে আধুনিক বহুতল একাডেমিক ভবন, অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন এবং ঐতিহাসিক খেলার মাঠের উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস. এম. জহুরুল ইসলাম।
সভায় বর্তমান ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বৃহস্পতিবার ঢাকার হেয়ার রোডে ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। তিনি বলেন, রাজশাহী কলেজ আমাদের সবার মা। মায়ের সন্তানের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের এক ছাতার নিচে এনে দেড়শত বর্ষ উদযাপন করতে হবে। এ আয়োজন বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
তিনি জানান, দীর্ঘ ১৫০ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে রাজশাহী কলেজ বহু প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে। দেশ-বিদেশে থাকা সব প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধনের মাধ্যমে বর্ষপূর্তি আয়োজনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রয়োজনে মহাদেশভিত্তিক অ্যালামনাই কমিটি গঠন করে ঐতিহাসিক এ মিলনমেলাকে স্মরণীয় করে তোলার পরামর্শ দেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেড়শত বর্ষ উদযাপনকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে একটি স্মারক ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে। রাজশাহী কলেজের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস শুধু বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমাদৃত। তাই ১৫০তম বর্ষপূর্তি হবে রাজশাহী কলেজ পরিবারের সব প্রজন্মের মহামিলনের উৎসব।
রাজশাহী কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহযোগিতায় কলেজে আধুনিক বহুতল একাডেমিক ভবন, অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন এবং ঐতিহাসিক খেলার মাঠের উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস. এম. জহুরুল ইসলাম।
সভায় বর্তমান ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
