৫ হাজার টাকার অ্যানিমেশন সিনেমার বাজিমাত, আয় ছাড়াল ২৬ কোটি
মাত্র ৫ হাজার ৭০০ টাকা খরচ করে বানানো অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘নিউ লাই’ এখন চীনের বক্স অফিসে চমক সৃষ্টি করেছে। কোনো প্রচারণা বা ট্রেলার ছাড়াই মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি শুরুতে দর্শক ও সমালোচকদের তীব্র ট্রলের মুখে পড়লেও সেই নেতিবাচক প্রচারণাই শেষ পর্যন্ত ছবিটির ভাগ্য বদলে দিয়েছে।
চীনের দুই নির্মাতা মা শিন ইউমেং ও ছেলে সান লিফাং টানা পাঁচ বছর পরিশ্রম করে তৈরি করেছেন ৮৬ মিনিটের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটি। চিত্রনাট্য, পরিচালনা, ভয়েস ওভার থেকে শুরু করে প্রযোজনার কাজ—সবই সামলেছেন এই মা-ছেলে জুটি। সিনেমাটি নির্মাণে তাদের খরচ হয়েছে মাত্র ৪৭ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৭০০ টাকা।
গত ৫ আগস্ট চীনের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘নিউ লাই’। মুক্তির আগে কোনো বড় ধরনের প্রচারণা ছিল না, এমনকি প্রকাশ করা হয়নি ট্রেলারও। ছবিটির অ্যানিমেশনের মান এতটাই দুর্বল ছিল যে পরিবেশকও এটিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
মুক্তির পর প্রথম ১০ দিনে সিনেমাটির টিকিট বিক্রি হয়েছিল ৩০০টিরও কম। ওই সময়ে আয় দাঁড়ায় মাত্র ৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটির দুর্বল অ্যানিমেশন, গল্প ও স্পেশাল ইফেক্ট নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক হাসাহাসি ও ট্রল।
তবে সেই ট্রলই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে সিনেমাটির সবচেয়ে বড় প্রচারণা। নেটিজেনদের মিম ও নেতিবাচক আলোচনার কারণে ধীরে ধীরে ‘নিউ লাই’ নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে সিনেমাটি চীনা দর্শকদের মধ্যে বছরের অন্যতম আলোচিত ও ট্রেন্ডিং চলচ্চিত্রে পরিণত হয়।
চীনের মুভি ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ‘মাও ইয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, ‘নিউ লাই’ ইতোমধ্যে ১৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ইউয়ান আয় করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
একটি গরু ও একটি স্কাইলার্ক পাখির সম্পর্ককে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটির গল্প। বড় বাজেট, তারকা শিল্পী কিংবা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পরিবর্তে ব্যক্তিগত শ্রম ও সীমিত সম্পদ দিয়েই ছবিটি তৈরি করেছেন নির্মাতারা। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তীব্র সমালোচনাই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয়েছে এর সবচেয়ে কার্যকর প্রচারণায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
চীনের দুই নির্মাতা মা শিন ইউমেং ও ছেলে সান লিফাং টানা পাঁচ বছর পরিশ্রম করে তৈরি করেছেন ৮৬ মিনিটের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটি। চিত্রনাট্য, পরিচালনা, ভয়েস ওভার থেকে শুরু করে প্রযোজনার কাজ—সবই সামলেছেন এই মা-ছেলে জুটি। সিনেমাটি নির্মাণে তাদের খরচ হয়েছে মাত্র ৪৭ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৭০০ টাকা।
গত ৫ আগস্ট চীনের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘নিউ লাই’। মুক্তির আগে কোনো বড় ধরনের প্রচারণা ছিল না, এমনকি প্রকাশ করা হয়নি ট্রেলারও। ছবিটির অ্যানিমেশনের মান এতটাই দুর্বল ছিল যে পরিবেশকও এটিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
মুক্তির পর প্রথম ১০ দিনে সিনেমাটির টিকিট বিক্রি হয়েছিল ৩০০টিরও কম। ওই সময়ে আয় দাঁড়ায় মাত্র ৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটির দুর্বল অ্যানিমেশন, গল্প ও স্পেশাল ইফেক্ট নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক হাসাহাসি ও ট্রল।
তবে সেই ট্রলই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে সিনেমাটির সবচেয়ে বড় প্রচারণা। নেটিজেনদের মিম ও নেতিবাচক আলোচনার কারণে ধীরে ধীরে ‘নিউ লাই’ নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে সিনেমাটি চীনা দর্শকদের মধ্যে বছরের অন্যতম আলোচিত ও ট্রেন্ডিং চলচ্চিত্রে পরিণত হয়।
চীনের মুভি ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ‘মাও ইয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, ‘নিউ লাই’ ইতোমধ্যে ১৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ইউয়ান আয় করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
একটি গরু ও একটি স্কাইলার্ক পাখির সম্পর্ককে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটির গল্প। বড় বাজেট, তারকা শিল্পী কিংবা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পরিবর্তে ব্যক্তিগত শ্রম ও সীমিত সম্পদ দিয়েই ছবিটি তৈরি করেছেন নির্মাতারা। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তীব্র সমালোচনাই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয়েছে এর সবচেয়ে কার্যকর প্রচারণায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
