উখিয়া সীমান্তে ৬ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ৭-৮ পাচারকারী
কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৬ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ইয়াবা বহনকারী ৭-৮ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাঁচটি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীন বালুখালী ও পালংখালী বিওপির বিশেষ টহলদল যৌথভাবে আঞ্জুমানপাড়া ও ফাইসাখালী এলাকায় অবস্থান নেয়।
রাত সাড়ে ৯টার দিকে থার্মাল ইমেজারের মাধ্যমে টহলদল মিয়ানমার থেকে ৭-৮ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখতে পায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা বিজিবির উপস্থিতি বুঝতে পেরে হাতে থাকা পাঁচটি বস্তা ফেলে পাশের গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি বস্তার ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে রাখা মোট ৬ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের আটকের জন্য ওই এলাকায় বিজিবির পক্ষ থেকে ব্যাপক অভিযান চালানো হলেও তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, উদ্ধার করা ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীন বালুখালী ও পালংখালী বিওপির বিশেষ টহলদল যৌথভাবে আঞ্জুমানপাড়া ও ফাইসাখালী এলাকায় অবস্থান নেয়।
রাত সাড়ে ৯টার দিকে থার্মাল ইমেজারের মাধ্যমে টহলদল মিয়ানমার থেকে ৭-৮ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখতে পায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা বিজিবির উপস্থিতি বুঝতে পেরে হাতে থাকা পাঁচটি বস্তা ফেলে পাশের গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি বস্তার ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে রাখা মোট ৬ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের আটকের জন্য ওই এলাকায় বিজিবির পক্ষ থেকে ব্যাপক অভিযান চালানো হলেও তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, উদ্ধার করা ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
