মার্জিন ঋণে নতুন নিয়ম, ৫০% ইক্যুইটি কমলেই কল—২৫%-এর নিচে নামলে শেয়ার বিক্রি
শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন নিয়মে শেয়ার ও সিকিউরিটিজের জন্য মার্জিন ঋণের অনুপাত ১:১ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মার্জিন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত (পিই), শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস), জীবন বিমা কোম্পানির মূল্য-সম্পদ অনুপাত (পিবি) এবং নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) নিয়ে বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
সোমবার রাতে সংশোধিত ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সংশোধিত বিধিমালা কার্যকর হয়েছে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একজন বিনিয়োগকারী তার নিজস্ব ইক্যুইটির সমপরিমাণ মার্জিন ঋণ নিতে পারবেন। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীর নিজস্ব অর্থ ১০ লাখ টাকা হলে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত মার্জিন ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
তবে সব শেয়ারে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না। জীবন বিমা কোম্পানি ছাড়া অন্য কোম্পানির শেয়ারের ট্রেইলিং পিই ৪০-এর বেশি হলে ওই শেয়ারে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। কোনো কোম্পানির ইপিএস ঋণাত্মক হলেও শেয়ারটি মার্জিন সুবিধার জন্য অযোগ্য হবে। ট্রেইলিং পিই নির্ধারণে সর্বশেষ ট্রেডিং দিনের সমাপনী মূল্যকে সর্বশেষ ধারাবাহিক চার প্রান্তিকের ইপিএসের যোগফল দিয়ে ভাগ করতে হবে।
জীবন বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পিই-এর পরিবর্তে পিবি অনুপাত বিবেচনা করা হবে। এসব কোম্পানির পিবি ৩-এর বেশি হলে অথবা এনএভি ঋণাত্মক হলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। সর্বশেষ ট্রেডিং দিনের সমাপনী মূল্যকে সর্বশেষ নিরীক্ষিত শেয়ারপ্রতি এনএভি দিয়ে ভাগ করে পিবি নির্ধারণ করতে হবে।
মার্জিন সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রেও ন্যূনতম বিনিয়োগের শর্ত রাখা হয়েছে। কোনো গ্রাহকের হিসাবে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অন্তত ৩ লাখ টাকার বিনিয়োগ না থাকলে তাকে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না।
এ ছাড়া কোনো বিনিয়োগকারী মার্জিন-অযোগ্য কোনো সিকিউরিটি কিনলে ওই সিকিউরিটির মূল্যকে তার ইক্যুইটি হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। ফলে ওই শেয়ারের বিপরীতে পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত মার্জিন ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে বিনিয়োগকারী চাইলে নিজের নগদ অর্থ দিয়ে মার্জিন-অযোগ্য শেয়ার কিনতে পারবেন।
মার্জিন কল ও শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম করা হয়েছে। পোর্টফোলিওর ইক্যুইটি ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগকারীকে মার্জিন কল বা আগাম নোটিশ দিতে হবে। এরপর ইক্যুইটি ২৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে আগাম নোটিশ ছাড়াই ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান শেয়ার বিক্রি করতে পারবে।
তবে এ বিষয়ে গ্রাহককে লিখিতভাবে অথবা ই-মেইল ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে অবহিত করতে হবে। প্রয়োজনে ফোন কলের মাধ্যমেও গ্রাহককে জানানো যাবে।
নতুন বিধিমালায় ‘জেড’, ‘এন’ ও ‘জি’ ক্যাটাগরির শেয়ারে মার্জিন ঋণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এসএমই বোর্ড, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) এবং ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজও মার্জিন সুবিধার বাইরে থাকবে। মূল বাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারই কেবল মার্জিন সুবিধার আওতায় থাকবে।
মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি কমাতে কোনো একটি সিকিউরিটিতে অর্থায়নের সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠান তার মোট বকেয়া মার্জিন অর্থায়নের ২০ শতাংশের বেশি একটি সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ বা অর্থায়ন করতে পারবে না।
মার্জিন চুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে এক বছর। কোনো পক্ষ চুক্তি বাতিল না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে। মার্জিন অর্থায়নের অর্থ শুধু মার্জিন-যোগ্য সিকিউরিটি কেনার কাজে ব্যবহার করা যাবে। তবে নির্ধারিত ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের ন্যূনতম অনুপাত বজায় থাকলে গ্রাহক তার মার্জিন হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
এদিকে মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের নামে পৃথক ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করতে হবে। ওই হিসাব শুধু মার্জিন অর্থায়ন-সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা যাবে। কোনো শাখা অফিস বা ডিজিটাল বুথের নামে এ ধরনের হিসাব খোলা যাবে না।
একজন গ্রাহক একই মার্জিন অর্থায়নকারীর কাছে একই সময়ে একটি নগদ হিসাব ও একটি মার্জিন হিসাব পরিচালনা বা খোলার সুযোগ পাবেন।
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে প্রতিটি মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে দুই সদস্যের একটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করতে হবে। এ কমিটিকে বছরে অন্তত চারটি সভা করতে হবে এবং বিএসইসির বিধিমালা ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মার্জিন অর্থায়ন নীতিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও তদারকি করতে হবে।
নিজস্ব মার্জিন অর্থায়ন নীতি প্রণয়নের সময় কোনো প্রতিষ্ঠান বিএসইসির বিধিমালায় নির্ধারিত শর্ত শিথিল করতে পারবে না। একইভাবে বিধিমালার বাইরে নতুন কোনো শর্ত আরোপের সুযোগও থাকবে না। এছাড়া মার্জিন অর্থায়নকারীর গবেষণা বিভাগের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা সরাসরি ট্রেডিং কমিশন আয়ের সঙ্গে যুক্ত না রাখার বিধান করা হয়েছে।
ইসলামিক শরিয়াহভিত্তিক মার্জিন অর্থায়ন চালু করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে শরিয়াহ সুপারভাইজারি বোর্ড থাকতে হবে। ওই বোর্ড বা শরিয়াহ উপদেষ্টার সুপারিশের ভিত্তিতে এ ধরনের মার্জিন অর্থায়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও পরিচালনা করতে হবে।
সংশোধিত বিধিমালার মাধ্যমে একদিকে বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণের কাঠামোতে কিছুটা সুবিধা দেওয়া হলেও, অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারে ঋণনির্ভর বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ফলে নতুন নিয়মে মার্জিন অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী—উভয় পক্ষের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার রাতে সংশোধিত ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সংশোধিত বিধিমালা কার্যকর হয়েছে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একজন বিনিয়োগকারী তার নিজস্ব ইক্যুইটির সমপরিমাণ মার্জিন ঋণ নিতে পারবেন। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীর নিজস্ব অর্থ ১০ লাখ টাকা হলে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত মার্জিন ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
তবে সব শেয়ারে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না। জীবন বিমা কোম্পানি ছাড়া অন্য কোম্পানির শেয়ারের ট্রেইলিং পিই ৪০-এর বেশি হলে ওই শেয়ারে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। কোনো কোম্পানির ইপিএস ঋণাত্মক হলেও শেয়ারটি মার্জিন সুবিধার জন্য অযোগ্য হবে। ট্রেইলিং পিই নির্ধারণে সর্বশেষ ট্রেডিং দিনের সমাপনী মূল্যকে সর্বশেষ ধারাবাহিক চার প্রান্তিকের ইপিএসের যোগফল দিয়ে ভাগ করতে হবে।
জীবন বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পিই-এর পরিবর্তে পিবি অনুপাত বিবেচনা করা হবে। এসব কোম্পানির পিবি ৩-এর বেশি হলে অথবা এনএভি ঋণাত্মক হলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। সর্বশেষ ট্রেডিং দিনের সমাপনী মূল্যকে সর্বশেষ নিরীক্ষিত শেয়ারপ্রতি এনএভি দিয়ে ভাগ করে পিবি নির্ধারণ করতে হবে।
মার্জিন সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রেও ন্যূনতম বিনিয়োগের শর্ত রাখা হয়েছে। কোনো গ্রাহকের হিসাবে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অন্তত ৩ লাখ টাকার বিনিয়োগ না থাকলে তাকে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না।
এ ছাড়া কোনো বিনিয়োগকারী মার্জিন-অযোগ্য কোনো সিকিউরিটি কিনলে ওই সিকিউরিটির মূল্যকে তার ইক্যুইটি হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। ফলে ওই শেয়ারের বিপরীতে পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত মার্জিন ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে বিনিয়োগকারী চাইলে নিজের নগদ অর্থ দিয়ে মার্জিন-অযোগ্য শেয়ার কিনতে পারবেন।
মার্জিন কল ও শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম করা হয়েছে। পোর্টফোলিওর ইক্যুইটি ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগকারীকে মার্জিন কল বা আগাম নোটিশ দিতে হবে। এরপর ইক্যুইটি ২৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে আগাম নোটিশ ছাড়াই ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান শেয়ার বিক্রি করতে পারবে।
তবে এ বিষয়ে গ্রাহককে লিখিতভাবে অথবা ই-মেইল ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে অবহিত করতে হবে। প্রয়োজনে ফোন কলের মাধ্যমেও গ্রাহককে জানানো যাবে।
নতুন বিধিমালায় ‘জেড’, ‘এন’ ও ‘জি’ ক্যাটাগরির শেয়ারে মার্জিন ঋণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এসএমই বোর্ড, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) এবং ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজও মার্জিন সুবিধার বাইরে থাকবে। মূল বাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারই কেবল মার্জিন সুবিধার আওতায় থাকবে।
মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি কমাতে কোনো একটি সিকিউরিটিতে অর্থায়নের সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠান তার মোট বকেয়া মার্জিন অর্থায়নের ২০ শতাংশের বেশি একটি সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ বা অর্থায়ন করতে পারবে না।
মার্জিন চুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে এক বছর। কোনো পক্ষ চুক্তি বাতিল না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে। মার্জিন অর্থায়নের অর্থ শুধু মার্জিন-যোগ্য সিকিউরিটি কেনার কাজে ব্যবহার করা যাবে। তবে নির্ধারিত ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের ন্যূনতম অনুপাত বজায় থাকলে গ্রাহক তার মার্জিন হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
এদিকে মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের নামে পৃথক ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করতে হবে। ওই হিসাব শুধু মার্জিন অর্থায়ন-সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা যাবে। কোনো শাখা অফিস বা ডিজিটাল বুথের নামে এ ধরনের হিসাব খোলা যাবে না।
একজন গ্রাহক একই মার্জিন অর্থায়নকারীর কাছে একই সময়ে একটি নগদ হিসাব ও একটি মার্জিন হিসাব পরিচালনা বা খোলার সুযোগ পাবেন।
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে প্রতিটি মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে দুই সদস্যের একটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করতে হবে। এ কমিটিকে বছরে অন্তত চারটি সভা করতে হবে এবং বিএসইসির বিধিমালা ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মার্জিন অর্থায়ন নীতিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও তদারকি করতে হবে।
নিজস্ব মার্জিন অর্থায়ন নীতি প্রণয়নের সময় কোনো প্রতিষ্ঠান বিএসইসির বিধিমালায় নির্ধারিত শর্ত শিথিল করতে পারবে না। একইভাবে বিধিমালার বাইরে নতুন কোনো শর্ত আরোপের সুযোগও থাকবে না। এছাড়া মার্জিন অর্থায়নকারীর গবেষণা বিভাগের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা সরাসরি ট্রেডিং কমিশন আয়ের সঙ্গে যুক্ত না রাখার বিধান করা হয়েছে।
ইসলামিক শরিয়াহভিত্তিক মার্জিন অর্থায়ন চালু করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে শরিয়াহ সুপারভাইজারি বোর্ড থাকতে হবে। ওই বোর্ড বা শরিয়াহ উপদেষ্টার সুপারিশের ভিত্তিতে এ ধরনের মার্জিন অর্থায়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও পরিচালনা করতে হবে।
সংশোধিত বিধিমালার মাধ্যমে একদিকে বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণের কাঠামোতে কিছুটা সুবিধা দেওয়া হলেও, অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারে ঋণনির্ভর বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ফলে নতুন নিয়মে মার্জিন অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী—উভয় পক্ষের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
