তৃণমূল কার্যালয়ে ঝুলন্ত দেহ, রহস্যমৃত্যু সাবেক ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা ও রাজ্য বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রোববার সকালে হাটতলা পাড়ায় নিজের বাড়ির কাছে দলের একটি কার্যালয় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিঠি উদ্ধারের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেটি আদৌ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কি না এবং মৃত্যুর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টানা পাঁচবার তৃণমূলের বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারে তিনি শিক্ষা ও কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সে সময় তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন।
তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রামপুরহাট আসনে বিজেপির প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। ধ্রুব সাহা ১ লাখ ১১ হাজার ৯২০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় পান ৮৭ হাজার ৬৮৭ ভোট।
নির্বাচনের পর তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। জুন মাসে বীরভূম জেলা কোর কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেও দলের সাধারণ সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় বাসিন্দা এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ভিড় করেন। প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে দলের অন্দরে এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসার পরই আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আপাতত ঘটনাটি রহস্যজনক মৃত্যু হিসেবেই তদন্ত করছে পুলিশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিঠি উদ্ধারের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেটি আদৌ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কি না এবং মৃত্যুর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টানা পাঁচবার তৃণমূলের বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারে তিনি শিক্ষা ও কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সে সময় তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন।
তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রামপুরহাট আসনে বিজেপির প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। ধ্রুব সাহা ১ লাখ ১১ হাজার ৯২০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় পান ৮৭ হাজার ৬৮৭ ভোট।
নির্বাচনের পর তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। জুন মাসে বীরভূম জেলা কোর কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেও দলের সাধারণ সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় বাসিন্দা এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ভিড় করেন। প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে দলের অন্দরে এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসার পরই আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আপাতত ঘটনাটি রহস্যজনক মৃত্যু হিসেবেই তদন্ত করছে পুলিশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
