এসপিএম প্রকল্পে চার বছরে মেয়াদ বৃদ্ধি, ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা
দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন এবং আমদানি করা অপরিশোধিত তেল দ্রুত খালাসের লক্ষ্যে গভীর সমুদ্রে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উল্টো সময় ও ব্যয় দুটিই বেড়েছে। গত চার বছরে প্রকল্পটির মেয়াদ চার দফা বাড়ানো হয়েছে। একই সময়ে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসপিএম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শেষ না হওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্পটির কার্যক্রম নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে প্রকল্পের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্সের জন্য সম্প্রতি আহ্বান করা আন্তর্জাতিক দরপত্র নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরেও আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নির্বাচনের পর পাঁচ দিনেই দরপত্র জমা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসপিএমের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আহ্বান করা আন্তর্জাতিক দরপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল জাতীয় নির্বাচনের পাঁচ দিন পর। একই দিন ছিল নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের দিন।
নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছিল কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি। তাদের দাবি ছিল, নির্বাচনের পর স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এলে বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদদের বাংলাদেশে এনে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। তবে এসব অনুরোধ শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
দরপত্রটি মোট ১১টি আন্তর্জাতিক কোম্পানি কিনেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব জমা দেয়।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই সময় অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা স্থগিত থাকা এবং বিভিন্ন দেশের ভ্রমণ সতর্কতার কারণে অনেক বিদেশি কোম্পানি তাদের কারিগরি দল বাংলাদেশে পাঠাতে পারেনি। ফলে তারা প্রতিযোগিতামূলক ও পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব তৈরির সুযোগ পায়নি।
প্রি-বিডে অংশ নিয়েও চূড়ান্ত দরপত্রে নেই দুই প্রতিষ্ঠান
দরপত্রের প্রি-বিড সভায় নেদারল্যান্ডসের স্মিট ল্যামনালকো এবং মিসরের মেরিডাইভ অংশ নিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানই চূড়ান্ত দরপত্র জমা দেয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, স্মিট ল্যামনালকো দরপত্র জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিল। একইভাবে মেরিডাইভের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে ঢাকায় অবস্থিত মিসরের দূতাবাসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। তবে কোনো অনুরোধই আমলে নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা স্মিট ল্যামনালকোকে এ খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে মেরিডাইভ কাতার এলএনজি ও সৌদি আরামকোর সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তিন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
শেষ পর্যন্ত এসপিএমের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইন্দোনেশিয়ার পার্তামিনা, চীনের সিপিসি এবং হিলন—এই তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা, পূর্ব অভিজ্ঞতা ও সংশ্লিষ্ট খাতে কাজের রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন। বিশেষ করে এসপিএমের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত অভিজ্ঞতা দরপত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তারা।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ইন্দোনেশিয়ার পার্তামিনার বিরুদ্ধে নিজ দেশে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও দরপত্রসংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে চীনা প্রতিষ্ঠান সিপিসি এর আগে মূল এসপিএম প্রকল্পের কাজ পেয়েছিল। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সিপিসির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় একটি বড় পাইপলাইন প্রকল্পসংক্রান্ত বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বক্তব্য জানা যায়নি।
পুনঃদরপত্রের দাবি
এদিকে দরপত্র প্রক্রিয়ার বিভিন্ন অসংগতির কথা তুলে ধরে নেদারল্যান্ডসের স্মিট ল্যামনালকো সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি দরপত্র গ্রহণের সময়, অংশগ্রহণের সুযোগ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন করে দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এসপিএম প্রকল্পের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও কারিগরি সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বর্তমান দরপত্র প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা উচিত।
উল্লেখ্য, গভীর সমুদ্রে স্থাপিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং বা এসপিএমের মাধ্যমে বড় ট্যাংকার থেকে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে তীরে বা রিফাইনারিতে নেওয়া যায়। প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এতে জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাসের সময় ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসপিএম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শেষ না হওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্পটির কার্যক্রম নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে প্রকল্পের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্সের জন্য সম্প্রতি আহ্বান করা আন্তর্জাতিক দরপত্র নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরেও আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নির্বাচনের পর পাঁচ দিনেই দরপত্র জমা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসপিএমের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আহ্বান করা আন্তর্জাতিক দরপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল জাতীয় নির্বাচনের পাঁচ দিন পর। একই দিন ছিল নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের দিন।
নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছিল কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি। তাদের দাবি ছিল, নির্বাচনের পর স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এলে বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদদের বাংলাদেশে এনে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। তবে এসব অনুরোধ শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
দরপত্রটি মোট ১১টি আন্তর্জাতিক কোম্পানি কিনেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব জমা দেয়।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই সময় অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা স্থগিত থাকা এবং বিভিন্ন দেশের ভ্রমণ সতর্কতার কারণে অনেক বিদেশি কোম্পানি তাদের কারিগরি দল বাংলাদেশে পাঠাতে পারেনি। ফলে তারা প্রতিযোগিতামূলক ও পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব তৈরির সুযোগ পায়নি।
প্রি-বিডে অংশ নিয়েও চূড়ান্ত দরপত্রে নেই দুই প্রতিষ্ঠান
দরপত্রের প্রি-বিড সভায় নেদারল্যান্ডসের স্মিট ল্যামনালকো এবং মিসরের মেরিডাইভ অংশ নিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানই চূড়ান্ত দরপত্র জমা দেয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, স্মিট ল্যামনালকো দরপত্র জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিল। একইভাবে মেরিডাইভের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে ঢাকায় অবস্থিত মিসরের দূতাবাসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। তবে কোনো অনুরোধই আমলে নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা স্মিট ল্যামনালকোকে এ খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে মেরিডাইভ কাতার এলএনজি ও সৌদি আরামকোর সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তিন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
শেষ পর্যন্ত এসপিএমের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইন্দোনেশিয়ার পার্তামিনা, চীনের সিপিসি এবং হিলন—এই তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা, পূর্ব অভিজ্ঞতা ও সংশ্লিষ্ট খাতে কাজের রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন। বিশেষ করে এসপিএমের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত অভিজ্ঞতা দরপত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তারা।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ইন্দোনেশিয়ার পার্তামিনার বিরুদ্ধে নিজ দেশে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও দরপত্রসংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে চীনা প্রতিষ্ঠান সিপিসি এর আগে মূল এসপিএম প্রকল্পের কাজ পেয়েছিল। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সিপিসির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় একটি বড় পাইপলাইন প্রকল্পসংক্রান্ত বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বক্তব্য জানা যায়নি।
পুনঃদরপত্রের দাবি
এদিকে দরপত্র প্রক্রিয়ার বিভিন্ন অসংগতির কথা তুলে ধরে নেদারল্যান্ডসের স্মিট ল্যামনালকো সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি দরপত্র গ্রহণের সময়, অংশগ্রহণের সুযোগ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন করে দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এসপিএম প্রকল্পের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও কারিগরি সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বর্তমান দরপত্র প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা উচিত।
উল্লেখ্য, গভীর সমুদ্রে স্থাপিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং বা এসপিএমের মাধ্যমে বড় ট্যাংকার থেকে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে তীরে বা রিফাইনারিতে নেওয়া যায়। প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এতে জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাসের সময় ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
