বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সরকারি সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বন্যা, পাহাড়ধস ও ভূমিধসের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কোথাও কোথাও বন্যার পানি নেমে গেলেও দুর্যোগ-পরবর্তী ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদপ্তরের আঞ্চলিক অফিসগুলোর পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ উপজেলা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রচার চলছে।
হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পরিবার পানিবন্দি নেই। কোনো হতাহত বা পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪ দশমিক ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
খাগড়াছড়িতে নতুন করে অতিবৃষ্টি বা পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে এবং নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক পরিস্থিতি এখনও ফিরে আসেনি।
কক্সবাজারে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রামুর বাঁকখালী ও চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রচার কার্যক্রম চলছে।
রাঙামাটিতে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার বিষয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
বান্দরবানেও দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।
মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় জেলার ৫৭ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাকালীন ও পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
লামায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি হলেও বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রামগড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। ভারী বর্ষণে ফেনী নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও বর্তমানে বন্যার আশঙ্কা নেই। পাহাড়ধসেরও নতুন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। নিরাপদ বসবাস, স্বাস্থ্যবিধি, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু-বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপত্তা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকা, বৈদ্যুতিক তার ও খুঁটি এড়িয়ে চলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।
পটিয়া উপজেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বন্যা-পরবর্তী করণীয় এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার চলছে। কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়িতেও আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।
দুর্যোগ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা অবলম্বন, নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিসগুলো জনসচেতনতামূলক প্রচার অব্যাহত রেখেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদপ্তরের আঞ্চলিক অফিসগুলোর পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ উপজেলা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রচার চলছে।
হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পরিবার পানিবন্দি নেই। কোনো হতাহত বা পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪ দশমিক ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
খাগড়াছড়িতে নতুন করে অতিবৃষ্টি বা পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে এবং নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক পরিস্থিতি এখনও ফিরে আসেনি।
কক্সবাজারে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রামুর বাঁকখালী ও চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রচার কার্যক্রম চলছে।
রাঙামাটিতে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার বিষয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
বান্দরবানেও দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।
মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় জেলার ৫৭ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাকালীন ও পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
লামায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি হলেও বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রামগড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। ভারী বর্ষণে ফেনী নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও বর্তমানে বন্যার আশঙ্কা নেই। পাহাড়ধসেরও নতুন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। নিরাপদ বসবাস, স্বাস্থ্যবিধি, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু-বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপত্তা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকা, বৈদ্যুতিক তার ও খুঁটি এড়িয়ে চলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।
পটিয়া উপজেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বন্যা-পরবর্তী করণীয় এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার চলছে। কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়িতেও আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।
দুর্যোগ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা অবলম্বন, নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিসগুলো জনসচেতনতামূলক প্রচার অব্যাহত রেখেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
