ATN
শিরোনাম
  •  

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ভূমিকম্প, নিহত ৩৮; নতুন কম্পনে আতঙ্ক

         
ইন্দোনেশিয়ায় ফের ভূমিকম্প, নিহত ৩৮; নতুন কম্পনে আতঙ্ক

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ভূমিকম্প, নিহত ৩৮; নতুন কম্পনে আতঙ্ক

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আবারও ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর আগে ভোরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে দেশটির পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভোরের ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা। ভূমিকম্পের সময় ঘুমন্ত অবস্থায় ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রদেশটির গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা গেছে, ভূমিকম্পে বহু বাড়িঘর ও ভবন ধসে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে ভবন ধসে পড়া এবং আতঙ্কিত মানুষকে নিরাপদ স্থানে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু এএফপিকে বলেন, ভূমিকম্পে শহরের অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। আতঙ্কে মানুষ দিগ্বিদিক ছুটতে থাকে। নিজের চোখের সামনে বন্দর এলাকার একটি ভবন ধসে পড়তে দেখেছেন বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক হিসাবে, ভূমিকম্পে ৫৪টি বাড়ি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাংগারাই প্রদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এরই মধ্যে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ান্তার শহরের কাছে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণবিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি স্থানীয় বাসিন্দারা অনুভব করলেও এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

একই দিনে পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্পে ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ধারকারী ও স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বিশ্ব সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ