ওজন কমাতে জিমই শেষ কথা নয়, কাজে আসতে পারে কয়েকটি সহজ অভ্যাস
ওজন কমাতে অনেকেই নিয়মিত জিমে গিয়ে ব্যায়াম করেন। তবে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে শুধু ব্যায়ামই নয়, দৈনন্দিন জীবনযাপনের কিছু অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার ও সঠিক পরিমাণ পানি পানসহ কয়েকটি সহজ অভ্যাস ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুম
ওজন নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের ঘাটতি হলে ক্ষুধা ও খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার ও জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি
কফি পান করার অভ্যাস থাকলে চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি বেছে নেওয়া যেতে পারে। চিনি ও অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত উপাদান বাদ দিলে পানীয়টির ক্যালোরি অনেকটাই কম থাকে। তবে অতিরিক্ত কফি পান না করে পরিমিত গ্রহণ করাই ভালো।
বেশি করে পানি পান
খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করলে কিছুটা সময়ের জন্য পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক রাখতেও পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন।
কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিনিযুক্ত কোমল পানীয় ও প্যাকেটজাত মিষ্টি পানীয় কমানো গুরুত্বপূর্ণ। এসব পানীয়তে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালোরি থাকতে পারে। এর পরিবর্তে পানি বা চিনি ছাড়া পানীয় বেছে নেওয়া যেতে পারে। প্যাকেটজাত জুসের বদলে সরাসরি ফল খাওয়াও ভালো বিকল্প।
জাঙ্ক ফুডে লাগাম
বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপসসহ অতিরিক্ত তেল, লবণ ও ক্যালোরিযুক্ত খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব খাবার যতটা সম্ভব সীমিত করা উচিত।
সন্ধ্যার নাস্তায় সতর্কতা
সন্ধ্যার নাস্তায় ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবারের পরিবর্তে মৌসুমি ফল বা চিনি ছাড়া গ্রিন টি বেছে নেওয়া যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমানো সহজ হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ওজন কমানোর জন্য শুধু দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করাই একমাত্র উপায় নয়। পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার, পানি পান এবং অতিরিক্ত চিনি ও জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলার মতো অভ্যাসও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে ওজন কমানোর প্রয়োজন ও পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পর্যাপ্ত ঘুম
ওজন নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের ঘাটতি হলে ক্ষুধা ও খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার ও জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি
কফি পান করার অভ্যাস থাকলে চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি বেছে নেওয়া যেতে পারে। চিনি ও অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত উপাদান বাদ দিলে পানীয়টির ক্যালোরি অনেকটাই কম থাকে। তবে অতিরিক্ত কফি পান না করে পরিমিত গ্রহণ করাই ভালো।
বেশি করে পানি পান
খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করলে কিছুটা সময়ের জন্য পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক রাখতেও পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন।
কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিনিযুক্ত কোমল পানীয় ও প্যাকেটজাত মিষ্টি পানীয় কমানো গুরুত্বপূর্ণ। এসব পানীয়তে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালোরি থাকতে পারে। এর পরিবর্তে পানি বা চিনি ছাড়া পানীয় বেছে নেওয়া যেতে পারে। প্যাকেটজাত জুসের বদলে সরাসরি ফল খাওয়াও ভালো বিকল্প।
জাঙ্ক ফুডে লাগাম
বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপসসহ অতিরিক্ত তেল, লবণ ও ক্যালোরিযুক্ত খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব খাবার যতটা সম্ভব সীমিত করা উচিত।
সন্ধ্যার নাস্তায় সতর্কতা
সন্ধ্যার নাস্তায় ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবারের পরিবর্তে মৌসুমি ফল বা চিনি ছাড়া গ্রিন টি বেছে নেওয়া যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমানো সহজ হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ওজন কমানোর জন্য শুধু দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করাই একমাত্র উপায় নয়। পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার, পানি পান এবং অতিরিক্ত চিনি ও জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলার মতো অভ্যাসও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে ওজন কমানোর প্রয়োজন ও পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
