সীতাকুণ্ডে জাহাজ ভাঙার কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৯
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে সাগর উপকূলে অবস্থিত একটি জাহাজ ভাঙার কারখানায় গ্যাস লিকেজের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে দুই ভাইসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। এ ঘটনায় কমপক্ষে আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ভাটিয়ারী রেলস্টেশনের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত ‘ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে’ জাহাজ ভাঙার কাজ চলাকালে অসাবধানতাবশত একটি গ্যাসের পাইপলাইন কেটে যায়। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই লিক হওয়া বিষাক্ত গ্যাস পুরো ইয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কর্মরত অনেক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষাক্ত গ্যাসে ঘটনাস্থলেই দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও ২০ জন। পরে আক্রান্ত শ্রমিকদের উদ্ধার করে প্রথমে ভাটিয়ারী বিএসবিএ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সানি জলদাস, পলাশ জলদাস এবং আপন দুই ভাই মনসুর আলী ও নাসির উদ্দিন। তারা সবাই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা। নিহত অন্যরা হলেন খোকন, আব্দুল আলিম, রানা, হাবিবুর রহমান ও মতিউর রহমান।
ঘটনার বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, এ সম্পর্কে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ভাটিয়ারী রেলস্টেশনের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত ‘ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে’ জাহাজ ভাঙার কাজ চলাকালে অসাবধানতাবশত একটি গ্যাসের পাইপলাইন কেটে যায়। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই লিক হওয়া বিষাক্ত গ্যাস পুরো ইয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কর্মরত অনেক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষাক্ত গ্যাসে ঘটনাস্থলেই দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও ২০ জন। পরে আক্রান্ত শ্রমিকদের উদ্ধার করে প্রথমে ভাটিয়ারী বিএসবিএ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সানি জলদাস, পলাশ জলদাস এবং আপন দুই ভাই মনসুর আলী ও নাসির উদ্দিন। তারা সবাই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা। নিহত অন্যরা হলেন খোকন, আব্দুল আলিম, রানা, হাবিবুর রহমান ও মতিউর রহমান।
ঘটনার বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, এ সম্পর্কে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
