কর্মসংস্থান ও খেলাধুলায় গুরুত্ব, দক্ষ যুবশক্তি গড়ার উদ্যোগ সরকারের: আমিনুল হক
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে সরকার কর্মমুখী শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক অপরাধ ও মাদকাসক্তি অনেকাংশে কমে আসবে।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে দক্ষতা বৃদ্ধির নামে দুর্নীতির আখড়া তৈরি করে দেশ থেকে অর্থ পাচার করা হয়েছে। দুর্নীতির কারণেই আওয়ামী লীগ সরকার ফ্যাসিস্ট উপাধি পেয়েছে। বিগত সময়ে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের ভুলের পুনরাবৃত্তি বর্তমান সরকার করবে না। প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশের মাধ্যমে যুবসমাজকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা হবে। ডিগ্রি অর্জনের পর যাতে তরুণদের বেকার হয়ে ঘরে বসে থাকতে না হয়, সে জন্য কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। যেখানে খালি জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণদের জীবনযাত্রা ভিন্ন হলেও তাদের প্রত্যাশা প্রায় একই—মানসম্মত শিক্ষা, শোভন কাজ, মর্যাদাপূর্ণ জীবন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও টেকসই ভবিষ্যৎ।
তিনি বলেন, বিগত শাসনামলে চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হয়নি। বরং সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠায় প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক স্নাতক বের হলেও চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে তাদের দক্ষতার সামঞ্জস্য ছিল না। ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়েছে।
বর্তমান সরকারের কর্মমুখী শিক্ষার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কিরণ বলেন, দেশে-বিদেশে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি না হওয়ায় হতাশাগ্রস্ত অনেক তরুণ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মমুখী শিক্ষা তরুণদের সুস্থ ও উৎপাদনশীল জীবনে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
‘দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে বিজয়ী হয় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, ড. এস এম মোর্শেদ, কেয়ার বাংলাদেশের পরিচালক রওনক জাহান এবং এসওএসের ডেপুটি ন্যাশনাল ডিরেক্টর মো. মাসুদ রানা।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলের বিতার্কিকদের ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করে কেয়ার বাংলাদেশ ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
শুক্রবার আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে দক্ষতা বৃদ্ধির নামে দুর্নীতির আখড়া তৈরি করে দেশ থেকে অর্থ পাচার করা হয়েছে। দুর্নীতির কারণেই আওয়ামী লীগ সরকার ফ্যাসিস্ট উপাধি পেয়েছে। বিগত সময়ে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের ভুলের পুনরাবৃত্তি বর্তমান সরকার করবে না। প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশের মাধ্যমে যুবসমাজকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা হবে। ডিগ্রি অর্জনের পর যাতে তরুণদের বেকার হয়ে ঘরে বসে থাকতে না হয়, সে জন্য কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। যেখানে খালি জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণদের জীবনযাত্রা ভিন্ন হলেও তাদের প্রত্যাশা প্রায় একই—মানসম্মত শিক্ষা, শোভন কাজ, মর্যাদাপূর্ণ জীবন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও টেকসই ভবিষ্যৎ।
তিনি বলেন, বিগত শাসনামলে চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হয়নি। বরং সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠায় প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক স্নাতক বের হলেও চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে তাদের দক্ষতার সামঞ্জস্য ছিল না। ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়েছে।
বর্তমান সরকারের কর্মমুখী শিক্ষার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কিরণ বলেন, দেশে-বিদেশে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি না হওয়ায় হতাশাগ্রস্ত অনেক তরুণ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মমুখী শিক্ষা তরুণদের সুস্থ ও উৎপাদনশীল জীবনে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
‘দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে বিজয়ী হয় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, ড. এস এম মোর্শেদ, কেয়ার বাংলাদেশের পরিচালক রওনক জাহান এবং এসওএসের ডেপুটি ন্যাশনাল ডিরেক্টর মো. মাসুদ রানা।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলের বিতার্কিকদের ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করে কেয়ার বাংলাদেশ ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
