পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অগ্রগতি, তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু আগামী বছর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, নদীভাঙন রোধে প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে আগামী বছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন।
বৈঠকে সরকারের গত ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের অংশ হিসেবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। নদীভাঙন রোধে আগাম প্রস্তুতি, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প ইতোমধ্যে একনেকের অনুমোদন পেয়েছে। একই সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের বিষয়ে জোরালো আশ্বাস পাওয়ার বিষয়টিও কমিটিকে অবহিত করা হয়। আগামী বছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরু করার পরিকল্পনার কথাও বৈঠকে জানানো হয়।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়। এতে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, বাস্তবায়নকাল এবং অর্থবরাদ্দসহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, বর্তমানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৩টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এসব প্রকল্পের জন্য মোট ৭ হাজার ৮৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মেয়াদ, অর্থবরাদ্দ ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিস্তারিত তালিকাও কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়।
কমিটির পক্ষ থেকে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জনগণের জন্য সরকারি সেবার মান আরও উন্নত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন, এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবু, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্ ফরিদ, মুন্সী রফিকুল আলম, মোঃ ইজ্জত উল্লাহ, মোঃ মশিউর রহমান খান এবং মোঃ অলি উল্লাহ্ বৈঠকে অংশ নেন।
এ সময় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার মহাপরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাগুলোর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন।
বৈঠকে সরকারের গত ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের অংশ হিসেবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। নদীভাঙন রোধে আগাম প্রস্তুতি, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প ইতোমধ্যে একনেকের অনুমোদন পেয়েছে। একই সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের বিষয়ে জোরালো আশ্বাস পাওয়ার বিষয়টিও কমিটিকে অবহিত করা হয়। আগামী বছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরু করার পরিকল্পনার কথাও বৈঠকে জানানো হয়।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়। এতে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, বাস্তবায়নকাল এবং অর্থবরাদ্দসহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, বর্তমানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৩টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এসব প্রকল্পের জন্য মোট ৭ হাজার ৮৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মেয়াদ, অর্থবরাদ্দ ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিস্তারিত তালিকাও কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়।
কমিটির পক্ষ থেকে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জনগণের জন্য সরকারি সেবার মান আরও উন্নত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন, এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবু, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্ ফরিদ, মুন্সী রফিকুল আলম, মোঃ ইজ্জত উল্লাহ, মোঃ মশিউর রহমান খান এবং মোঃ অলি উল্লাহ্ বৈঠকে অংশ নেন।
এ সময় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার মহাপরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাগুলোর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
