অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমেই দারুণ শুরু করেছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা ওভালে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম সেশনে তিন পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে চাপে পড়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। লাঞ্চে ৪ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৭৪ রান।
লাঞ্চের সময় অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৩ রানে জেক ওয়েদারাল্ড ও ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন স্টিভেন স্মিথ। বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ ২টি এবং এবাদত হোসেন ও তাসকিন আহমেদ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনারকে চাপে রাখেন বাংলাদেশের পেসাররা। হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত সুইংয়ে একের পর এক পরাস্ত হচ্ছিলেন জেক ওয়েদারাল্ড। প্রথম স্পেলে উইকেট না পেলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তাকে বোলিংয়ে ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ১২তম ওভারে ওয়েদারাল্ডকে ২৩ রানে ফেরান হাসান। তার সুইংয়ে পরাস্ত হয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার।
এরপর ট্রাভিস হেডকেও সাজঘরে ফেরান হাসান। নিজের স্টাম্পে বল টেনে এনে বোল্ড হন হেড। তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। আউট হওয়ার ঠিক আগের বলেই হাসানের বলে কভার দিয়ে দারুণ একটি চার মেরেছিলেন তিনি।
এরপর এবাদত হোসেনের বোলিংয়ে মার্নাস লাবুশেনকে ফিরিয়ে দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় স্লিপে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে লাবুশেনকে সাজঘরে পাঠান শান্ত। উইকেট পাওয়ার পর নিজের চিরচেনা ভঙ্গিতে স্যালুট উদ্যাপন করেন এবাদত।
অন্যদিকে, দুই রানে থাকা স্টিভেন স্মিথও একবার জীবন পান। তৃতীয় স্লিপে তার ক্যাচের সুযোগ তৈরি হলেও সেটি তালুবন্দী করতে পারেননি তানজিদ হাসান। পরে ২১তম ওভারে স্মিথের বিপক্ষে উইকেটের পেছনে ক্যাচের জোরালো আবেদন করে বাংলাদেশ। তবে পুনরায় দেখার পর নিশ্চিত হওয়া যায়, এবাদতের বলে স্মিথের ব্যাটে কোনো স্পর্শ ছিল না।
সেশনের শেষ দিকে উইকেট শিকারে যোগ দেন তাসকিন আহমেদ। তার বলে ১৩ রানে ক্যামেরন গ্রিনকে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন। দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই ক্যাচটি নেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। এর আগের বলেই ছক্কা মারতে গিয়ে বল আকাশে তুলে দিয়েছিলেন গ্রিন।
প্রথম সেশনজুড়েই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের ব্যাটের দুই প্রান্তে আক্রমণ চালিয়ে যান বাংলাদেশের তিন পেসার। বিশেষ করে হাসান মাহমুদের সুইং ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বেশ অস্বস্তিতে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা।
সব মিলিয়ে প্রথম সেশনেই বাংলাদেশের পেসারদের আগ্রাসী পরিকল্পনার দারুণ বাস্তবায়ন দেখা গেছে। লাঞ্চের পর ৪ উইকেট হাতে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে অস্ট্রেলিয়া, আর বাংলাদেশ চাইবে দ্রুত আরও উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের বড় সংগ্রহের পথে বাধা দিতে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
লাঞ্চের সময় অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৩ রানে জেক ওয়েদারাল্ড ও ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন স্টিভেন স্মিথ। বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ ২টি এবং এবাদত হোসেন ও তাসকিন আহমেদ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনারকে চাপে রাখেন বাংলাদেশের পেসাররা। হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত সুইংয়ে একের পর এক পরাস্ত হচ্ছিলেন জেক ওয়েদারাল্ড। প্রথম স্পেলে উইকেট না পেলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তাকে বোলিংয়ে ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ১২তম ওভারে ওয়েদারাল্ডকে ২৩ রানে ফেরান হাসান। তার সুইংয়ে পরাস্ত হয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার।
এরপর ট্রাভিস হেডকেও সাজঘরে ফেরান হাসান। নিজের স্টাম্পে বল টেনে এনে বোল্ড হন হেড। তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। আউট হওয়ার ঠিক আগের বলেই হাসানের বলে কভার দিয়ে দারুণ একটি চার মেরেছিলেন তিনি।
এরপর এবাদত হোসেনের বোলিংয়ে মার্নাস লাবুশেনকে ফিরিয়ে দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় স্লিপে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে লাবুশেনকে সাজঘরে পাঠান শান্ত। উইকেট পাওয়ার পর নিজের চিরচেনা ভঙ্গিতে স্যালুট উদ্যাপন করেন এবাদত।
অন্যদিকে, দুই রানে থাকা স্টিভেন স্মিথও একবার জীবন পান। তৃতীয় স্লিপে তার ক্যাচের সুযোগ তৈরি হলেও সেটি তালুবন্দী করতে পারেননি তানজিদ হাসান। পরে ২১তম ওভারে স্মিথের বিপক্ষে উইকেটের পেছনে ক্যাচের জোরালো আবেদন করে বাংলাদেশ। তবে পুনরায় দেখার পর নিশ্চিত হওয়া যায়, এবাদতের বলে স্মিথের ব্যাটে কোনো স্পর্শ ছিল না।
সেশনের শেষ দিকে উইকেট শিকারে যোগ দেন তাসকিন আহমেদ। তার বলে ১৩ রানে ক্যামেরন গ্রিনকে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন। দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই ক্যাচটি নেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। এর আগের বলেই ছক্কা মারতে গিয়ে বল আকাশে তুলে দিয়েছিলেন গ্রিন।
প্রথম সেশনজুড়েই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের ব্যাটের দুই প্রান্তে আক্রমণ চালিয়ে যান বাংলাদেশের তিন পেসার। বিশেষ করে হাসান মাহমুদের সুইং ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বেশ অস্বস্তিতে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা।
সব মিলিয়ে প্রথম সেশনেই বাংলাদেশের পেসারদের আগ্রাসী পরিকল্পনার দারুণ বাস্তবায়ন দেখা গেছে। লাঞ্চের পর ৪ উইকেট হাতে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে অস্ট্রেলিয়া, আর বাংলাদেশ চাইবে দ্রুত আরও উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের বড় সংগ্রহের পথে বাধা দিতে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
