কৃষি-প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতে মার্কিন কারিগরি সহায়তা চাইলেন মন্ত্রী
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিকায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ সহযোগিতা চান। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া ও ভৌগোলিক অবস্থান কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান কাজে লাগিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের চর ও দ্বীপাঞ্চলে সয়াবিন চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এ ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন।
প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের ঘাস উৎপাদন, প্রাণীর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং রোগ প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, শুধু কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করলেই হবে না, একই সঙ্গে কৃষক ও ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে দেশে একটি সার্টিফায়েড অর্গানিক ফার্ম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ইউএসডিএ সার্টিফায়েড অর্গানিক খাদ্য রপ্তানির লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে।
মতবিনিময়কালে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আতুল কেশাপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক কেভিন রোপকে, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম লিডার খবিবুর রহমানসহ কাউন্সিলের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ সহযোগিতা চান। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া ও ভৌগোলিক অবস্থান কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান কাজে লাগিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের চর ও দ্বীপাঞ্চলে সয়াবিন চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এ ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন।
প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের ঘাস উৎপাদন, প্রাণীর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং রোগ প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, শুধু কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করলেই হবে না, একই সঙ্গে কৃষক ও ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে দেশে একটি সার্টিফায়েড অর্গানিক ফার্ম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ইউএসডিএ সার্টিফায়েড অর্গানিক খাদ্য রপ্তানির লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে।
মতবিনিময়কালে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আতুল কেশাপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক কেভিন রোপকে, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম লিডার খবিবুর রহমানসহ কাউন্সিলের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
