ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের সালফিত প্রদেশে ৫৫০ একর ফিলিস্তিনি জমি দখলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইল। সামরিক কাজে ব্যবহারের কথা বলে উত্তরাঞ্চলীয় মারদা শহরের এসব জমি দখল করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের বসতি স্থাপন ও প্রাচীর-প্রতিরোধ বিষয়ক কমিশন।
সোমবার (১০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলুর।
কমিশন জানায়, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ নতুন একটি সামরিক আদেশ জারি করে মারদা শহরের ২ হাজার ২২৪ দুনাম বা প্রায় ৫৫০ একর জমি দখলের নির্দেশ দিয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতেই সামরিক প্রয়োজনে জমি দখলের এমন আদেশ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে কমিশন।
এই আদেশের আওতায় ওয়াদি কাসেম ও কাফিফ আল-আবহার এলাকার জমিও রয়েছে। আদেশে নির্দিষ্ট এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে জমির নিয়ন্ত্রণ ইসরাইলি সামরিক কমান্ডারের কাছে হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছে।
কমিশনের দেওয়া সামরিক আদেশের মানচিত্র অনুযায়ী, দখল করতে যাওয়া জমিটি ৫০৫ নম্বর সড়কের দক্ষিণে অবস্থিত। স্থানীয় একটি সড়কের সঙ্গে ৫০৫ নম্বর সড়কের সংযোগস্থলের কাছেই এলাকাটির অবস্থান। এটি অবৈধ আরিয়েল বসতির উত্তরের একটি এলাকার দিকে যাওয়া সড়কের কাছাকাছি এবং মারদা ও জামাইনের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
কমিশনের মতে, এলাকাটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখান থেকে ওই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ পর্যবেক্ষণ করা যায় এবং পথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
দখল করা জমিতে একটি টাওয়ার বা যোগাযোগ স্থাপনা নির্মাণই জমি দখলের ঘোষিত উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে কমিশন।
ফিলিস্তিনের বসতি স্থাপন ও প্রাচীর-প্রতিরোধ বিষয়ক কমিশন আরও অভিযোগ করেছে, ফিলিস্তিনিদের জমি সাময়িকভাবে দখল এবং অবৈধ বসতিগুলোর আশপাশের সড়ক ও বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ সামরিক প্রয়োজনে জমি দখলের আদেশ ক্রমেই বেশি ব্যবহার করছে।
কমিশনের গত ৩ আগস্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শুধু জুলাই মাসেই ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ৩৩টি সামরিক আদেশ জারি করেছে। এর মধ্যে ৩১টি আদেশে ফিলিস্তিনিদের প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার ৩২৪ একর জমি দখলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছেন। এসব এলাকায় ১৫৬টি অবৈধ বসতি ও ৩৬০টি আউটপোস্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
কমিশনের দাবি, ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় এসব বসতি স্থাপনকারী ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করে আসছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
সোমবার (১০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলুর।
কমিশন জানায়, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ নতুন একটি সামরিক আদেশ জারি করে মারদা শহরের ২ হাজার ২২৪ দুনাম বা প্রায় ৫৫০ একর জমি দখলের নির্দেশ দিয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতেই সামরিক প্রয়োজনে জমি দখলের এমন আদেশ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে কমিশন।
এই আদেশের আওতায় ওয়াদি কাসেম ও কাফিফ আল-আবহার এলাকার জমিও রয়েছে। আদেশে নির্দিষ্ট এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে জমির নিয়ন্ত্রণ ইসরাইলি সামরিক কমান্ডারের কাছে হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছে।
কমিশনের দেওয়া সামরিক আদেশের মানচিত্র অনুযায়ী, দখল করতে যাওয়া জমিটি ৫০৫ নম্বর সড়কের দক্ষিণে অবস্থিত। স্থানীয় একটি সড়কের সঙ্গে ৫০৫ নম্বর সড়কের সংযোগস্থলের কাছেই এলাকাটির অবস্থান। এটি অবৈধ আরিয়েল বসতির উত্তরের একটি এলাকার দিকে যাওয়া সড়কের কাছাকাছি এবং মারদা ও জামাইনের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
কমিশনের মতে, এলাকাটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখান থেকে ওই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ পর্যবেক্ষণ করা যায় এবং পথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
দখল করা জমিতে একটি টাওয়ার বা যোগাযোগ স্থাপনা নির্মাণই জমি দখলের ঘোষিত উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে কমিশন।
ফিলিস্তিনের বসতি স্থাপন ও প্রাচীর-প্রতিরোধ বিষয়ক কমিশন আরও অভিযোগ করেছে, ফিলিস্তিনিদের জমি সাময়িকভাবে দখল এবং অবৈধ বসতিগুলোর আশপাশের সড়ক ও বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ সামরিক প্রয়োজনে জমি দখলের আদেশ ক্রমেই বেশি ব্যবহার করছে।
কমিশনের গত ৩ আগস্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শুধু জুলাই মাসেই ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ৩৩টি সামরিক আদেশ জারি করেছে। এর মধ্যে ৩১টি আদেশে ফিলিস্তিনিদের প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার ৩২৪ একর জমি দখলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছেন। এসব এলাকায় ১৫৬টি অবৈধ বসতি ও ৩৬০টি আউটপোস্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
কমিশনের দাবি, ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় এসব বসতি স্থাপনকারী ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করে আসছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
