সবশেষ মামলায়ও জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক
রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ মামলায় জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ জামিন আদেশ দেন।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
এর আগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় তার জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত। পরে বনানী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। আজ ওই মামলায়ও জামিন পাওয়ায় তার মুক্তির পথ তৈরি হয়েছে বলে জানান আইনজীবীরা।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে মোট আটটি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি।
গত ৩০ জুন যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্ট। একই বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এর আগে গত ২৩ মে পৃথক সাতটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর খায়রুল হককে নতুন করে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এ আদেশ দেন।
গত ১৬ মে যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম খলিল এ মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী পদচারী-সেতুর নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন খোয়াইব। বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে যাত্রাবাড়ী মোড়ের দিকে অগ্রসর হলে তাদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এতে গুরুতর আহত হন খোয়াইব। পরে স্থানীয়রা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর নিহত খোয়াইবের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করা হয়।
এর আগে গত বছরের ২৪ জুলাই সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ জামিন আদেশ দেন।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
এর আগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় তার জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত। পরে বনানী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। আজ ওই মামলায়ও জামিন পাওয়ায় তার মুক্তির পথ তৈরি হয়েছে বলে জানান আইনজীবীরা।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে মোট আটটি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি।
গত ৩০ জুন যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্ট। একই বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এর আগে গত ২৩ মে পৃথক সাতটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর খায়রুল হককে নতুন করে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এ আদেশ দেন।
গত ১৬ মে যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম খলিল এ মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী পদচারী-সেতুর নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন খোয়াইব। বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে যাত্রাবাড়ী মোড়ের দিকে অগ্রসর হলে তাদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এতে গুরুতর আহত হন খোয়াইব। পরে স্থানীয়রা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর নিহত খোয়াইবের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করা হয়।
এর আগে গত বছরের ২৪ জুলাই সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
