শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফাইল ছবি
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। এ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষায় নম্বর দেওয়া যায় না।’
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন ও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে এবার কঠোর ছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন খুলে গান গাওয়া গেলেও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন উদারতা দেখানোর সুযোগ নেই।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।
এদিকে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৮টি।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২২৬টি, যেখানে ২০২৫ সালে ছিল ৮৬টি।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর কোনো প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের হার না থাকলেও এবার ২৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবার পাসের হার কমার পাশাপাশি শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন ও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে এবার কঠোর ছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন খুলে গান গাওয়া গেলেও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন উদারতা দেখানোর সুযোগ নেই।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।
এদিকে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৮টি।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২২৬টি, যেখানে ২০২৫ সালে ছিল ৮৬টি।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর কোনো প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের হার না থাকলেও এবার ২৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবার পাসের হার কমার পাশাপাশি শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
