প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ফাইল ছবি
ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর পক্ষে লড়াই করতে রাশিয়ায় নতুন করে অন্তত ৫০ হাজারের বেশি সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর কোরিয়া—এমন দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রোববার (৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, খুব শিগগিরই রাশিয়ায় কমপক্ষে ৫০ হাজার নতুন সেনা পাঠাবে উত্তর কোরিয়া। এ বিষয়ে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। নতুন সেনাদের রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে বলে জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
তবে এই তথ্যের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি জেলেনস্কি। তিনি বলেন, সম্প্রতি ইউক্রেনের ভূখণ্ডে উত্তর কোরিয়ায় তৈরি কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।
জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়ার কাছ থেকে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম নিয়ে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার ভেতরেই ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের সমরাস্ত্র তৈরি করেছে।
এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে সহযোগিতা করলেও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন জেলেনস্কি।
তিনি জানান, ইউক্রেনের ঘাটতি রয়েছে এমন ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন নির্মাণ চুক্তি এবং অন্যান্য সামরিক খাতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
২০২৪ সালের জুনে উত্তর কোরিয়া সফরে যান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ওই সফরে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে একটি বিস্তৃত কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেন পুতিন।
চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী কোনো দেশ বাইরের কোনো শক্তির হামলার শিকার হলে অপর দেশ সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর একই বছর প্রথমবারের মতো রাশিয়ায় প্রায় ১৪ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল উত্তর কোরিয়া বলে দাবি করা হয়।
এদিকে চলতি আগস্টে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, রুশ বাহিনীকে সহযোগিতা করতে নিয়মিত সেনাদের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি ১২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ছয়টি লঞ্চারসহ একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট পাঠিয়েছে। ওই ইউনিটকে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
রোববার (৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, খুব শিগগিরই রাশিয়ায় কমপক্ষে ৫০ হাজার নতুন সেনা পাঠাবে উত্তর কোরিয়া। এ বিষয়ে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। নতুন সেনাদের রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে বলে জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
তবে এই তথ্যের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি জেলেনস্কি। তিনি বলেন, সম্প্রতি ইউক্রেনের ভূখণ্ডে উত্তর কোরিয়ায় তৈরি কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।
জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়ার কাছ থেকে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম নিয়ে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার ভেতরেই ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের সমরাস্ত্র তৈরি করেছে।
এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে সহযোগিতা করলেও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন জেলেনস্কি।
তিনি জানান, ইউক্রেনের ঘাটতি রয়েছে এমন ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন নির্মাণ চুক্তি এবং অন্যান্য সামরিক খাতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
২০২৪ সালের জুনে উত্তর কোরিয়া সফরে যান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ওই সফরে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে একটি বিস্তৃত কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেন পুতিন।
চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী কোনো দেশ বাইরের কোনো শক্তির হামলার শিকার হলে অপর দেশ সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর একই বছর প্রথমবারের মতো রাশিয়ায় প্রায় ১৪ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল উত্তর কোরিয়া বলে দাবি করা হয়।
এদিকে চলতি আগস্টে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, রুশ বাহিনীকে সহযোগিতা করতে নিয়মিত সেনাদের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি ১২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ছয়টি লঞ্চারসহ একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট পাঠিয়েছে। ওই ইউনিটকে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
