সৌদি আরবে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১০ জন নিহত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
নিহতরা হলেন—আত্রাই উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়নের পারকাসুন্দা গ্রামের মৃত তমেজ উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন; বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের বাদল হোসেনের ছেলে সুমন হোসেন; একই গ্রামের সাগর হোসেন ও চঞ্চল হাসানের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ; মাধবপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মজিদুল ইসলাম; কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালী গ্রামের গোফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক; জান্নার হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন; ফজলু প্রামাণিকের ছেলে কলি উদ্দিন প্রামাণিক এবং সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েন শেখের ছেলে ফরিদ শেখ।
নিহতদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের খোরদাম এলাকার ওই সোফা তৈরির কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। নিহতরা ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় অনেক পরিবার এখনো তাদের স্বজনদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আগুনে পুড়ে আত্রাই উপজেলার ১০ জনের মৃত্যুর খবর এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
নিহতরা হলেন—আত্রাই উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়নের পারকাসুন্দা গ্রামের মৃত তমেজ উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন; বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের বাদল হোসেনের ছেলে সুমন হোসেন; একই গ্রামের সাগর হোসেন ও চঞ্চল হাসানের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ; মাধবপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মজিদুল ইসলাম; কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালী গ্রামের গোফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক; জান্নার হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন; ফজলু প্রামাণিকের ছেলে কলি উদ্দিন প্রামাণিক এবং সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েন শেখের ছেলে ফরিদ শেখ।
নিহতদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের খোরদাম এলাকার ওই সোফা তৈরির কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। নিহতরা ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় অনেক পরিবার এখনো তাদের স্বজনদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আগুনে পুড়ে আত্রাই উপজেলার ১০ জনের মৃত্যুর খবর এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
