শাকিরা-পিকের বিলাসবহুল বাড়ির নতুন মালিক লামিন ইয়ামাল
ফুটবল মাঠে একের পর এক রেকর্ড গড়ে খুব অল্প বয়সেই বিশ্ব তারকায় পরিণত হয়েছেন লামিন ইয়ামাল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার সিনিয়র দলে অভিষেকের পর থেকেই তার উত্থান ছিল চোখে পড়ার মতো। স্পেন জাতীয় দলের হয়েও গড়েছেন একাধিক কীর্তি। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি এবার ব্যক্তিগত জীবনেও বড় এক অধ্যায় শুরু করলেন এই তরুণ তারকা।
বার্সেলোনার এসপ্লুগেস দে লব্রেগাতের অভিজাত সিউদাদ ডায়াগোনাল আবাসিক কমপ্লেক্সের একটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিক হয়েছেন ইয়ামাল। বাড়িটির মূল্য ১ কোটি ইউরোরও বেশি বলে জানা গেছে। এর আগে সম্পত্তিটির মালিক ছিলেন কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা ও সাবেক বার্সেলোনা তারকা জেরার্ড পিকে।
প্রায় ৩ হাজার ৮০০ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত বিশাল এই বাড়িটির নকশা করেন স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলা। তিনতলা বাড়িটির পাশাপাশি রয়েছে দুটি ভূগর্ভস্থ স্তর। বিলাসবহুল এই বাড়িতে রয়েছে বড় জানালা, ঝরনাসহ আউটডোর সুইমিং পুল, ইনডোর সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা রুম, ওয়াইন সেলার ও রেকর্ডিং স্টুডিও। এমনকি বাড়ির ভেতরেই রয়েছে ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ।
শাকিরা ও পিকের সময়কার সাজসজ্জার অনেকটাই অপরিবর্তিত রেখেছেন ইয়ামাল। তবে নিজের অর্জনের স্মারক হিসেবে ব্যক্তিগত ট্রফি, পুরস্কার ও অন্যান্য স্মৃতিচিহ্ন দিয়ে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ সাজিয়েছেন তিনি। নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু নতুন আসবাবও যোগ করেছেন তরুণ এই ফুটবলার।
সিউদাদ ডায়াগোনাল কমপ্লেক্সে মোট চারটি আলাদা বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি পিকের বাবা-মায়ের, আরেকটি শাকিরার বাবা-মায়ের। তৃতীয় বাড়িটিই এখন ইয়ামালের আবাস। চতুর্থ বাড়িটির সংস্কারকাজ এখনও শেষ হয়নি। উঁচু অবস্থানে থাকা এই কমপ্লেক্স থেকে বার্সেলোনা শহর ও ভূমধ্যসাগরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
জানা গেছে, বাড়িটি কেনার প্রক্রিয়ায় প্রায় তিন মাস ধরে আলোচনা চলেছে। ইয়ামাল নিজে উপস্থিত না থাকলেও তার আইনজীবীরা পুরো প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত সম্পত্তিটির মালিকানা তার হাতে আসে।
একসময় শাকিরা ও জেরার্ড পিকের পারিবারিক জীবন এবং গণমাধ্যমের নানা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই বাড়ি। এখন সেই একই বাড়ি নতুন মালিক ইয়ামালের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই এমন বিলাসবহুল সম্পত্তির মালিক হয়ে বার্সেলোনার অন্যতম আলোচিত বাড়ির নতুন ঠিকানা তৈরি করলেন স্প্যানিশ ফুটবলের এই বিস্ময়বালক।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বার্সেলোনার এসপ্লুগেস দে লব্রেগাতের অভিজাত সিউদাদ ডায়াগোনাল আবাসিক কমপ্লেক্সের একটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিক হয়েছেন ইয়ামাল। বাড়িটির মূল্য ১ কোটি ইউরোরও বেশি বলে জানা গেছে। এর আগে সম্পত্তিটির মালিক ছিলেন কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা ও সাবেক বার্সেলোনা তারকা জেরার্ড পিকে।
প্রায় ৩ হাজার ৮০০ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত বিশাল এই বাড়িটির নকশা করেন স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলা। তিনতলা বাড়িটির পাশাপাশি রয়েছে দুটি ভূগর্ভস্থ স্তর। বিলাসবহুল এই বাড়িতে রয়েছে বড় জানালা, ঝরনাসহ আউটডোর সুইমিং পুল, ইনডোর সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা রুম, ওয়াইন সেলার ও রেকর্ডিং স্টুডিও। এমনকি বাড়ির ভেতরেই রয়েছে ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ।
শাকিরা ও পিকের সময়কার সাজসজ্জার অনেকটাই অপরিবর্তিত রেখেছেন ইয়ামাল। তবে নিজের অর্জনের স্মারক হিসেবে ব্যক্তিগত ট্রফি, পুরস্কার ও অন্যান্য স্মৃতিচিহ্ন দিয়ে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ সাজিয়েছেন তিনি। নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু নতুন আসবাবও যোগ করেছেন তরুণ এই ফুটবলার।
সিউদাদ ডায়াগোনাল কমপ্লেক্সে মোট চারটি আলাদা বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি পিকের বাবা-মায়ের, আরেকটি শাকিরার বাবা-মায়ের। তৃতীয় বাড়িটিই এখন ইয়ামালের আবাস। চতুর্থ বাড়িটির সংস্কারকাজ এখনও শেষ হয়নি। উঁচু অবস্থানে থাকা এই কমপ্লেক্স থেকে বার্সেলোনা শহর ও ভূমধ্যসাগরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
জানা গেছে, বাড়িটি কেনার প্রক্রিয়ায় প্রায় তিন মাস ধরে আলোচনা চলেছে। ইয়ামাল নিজে উপস্থিত না থাকলেও তার আইনজীবীরা পুরো প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত সম্পত্তিটির মালিকানা তার হাতে আসে।
একসময় শাকিরা ও জেরার্ড পিকের পারিবারিক জীবন এবং গণমাধ্যমের নানা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই বাড়ি। এখন সেই একই বাড়ি নতুন মালিক ইয়ামালের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই এমন বিলাসবহুল সম্পত্তির মালিক হয়ে বার্সেলোনার অন্যতম আলোচিত বাড়ির নতুন ঠিকানা তৈরি করলেন স্প্যানিশ ফুটবলের এই বিস্ময়বালক।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
