বিশ্বকাপে মেসিকে হত্যার হুমকি, ঝুঁকি ছিল রোনালদোরও!
যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের একটি অত্যন্ত গোপনীয় নিরাপত্তা নথি ফাঁসের মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনার তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। এই নথিতে টুর্নামেন্টের শীর্ষ তারকা, রেফারি এবং ফুটবল কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে চালানো সন্ত্রাসী হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।
এই ষড়যন্ত্রের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। ডালাস বিমানবন্দরে আসা এক উড়ো ফোনে হুমকি দেওয়া হয় যে, গ্রেনেড ও এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকে হামলা চালানো হবে এবং মেসিকে হত্যা করা হবে। এছাড়া আটলান্টার স্টেডিয়ামেও শরীরে বোমা বেঁধে আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে মেসিকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল এক ব্যক্তির। এমনকি গ্যালারির ময়লার ঝুড়িতে বোমা রাখার মতো আতঙ্কজনক তথ্যও নথিতে পাওয়া গেছে।
পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ছিলেন। ফিফার এক কর্মীর কাছে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি রোনালদোর হোটেলের অবস্থান জানতে চান। পরবর্তীতে এক ভক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে তার হোটেলের লিফটে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন। যদিও আটক হওয়ার পর ওই ব্যক্তি দাবি করেন যে তিনি কেবল সেলফি তোলার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন।
মাঠের বিতর্কের জেরে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারেরও বেশি হুমকিমূলক বার্তা পান। এছাড়া ভিডিও রেফারি উইলি দেলাজোদকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে সুযোগ নষ্ট করায় নরওয়ের আলেকজান্ডার সোরলোথ এবং পেনাল্টি মিস করায় কলম্বিয়ার জন হ্যামিন্তন কাম্পাজ ও তাদের পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার অভাবে কাম্পাজ জাতীয় দলের সঙ্গে দেশে ফিরতেও সাহস পাননি।
টুর্নামেন্টে কিলিয়ান এমবাপ্পের প্রতিকৃতি পোড়ানো এবং তাকে বর্ণবাদী স্লোগান দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ড্রোন হামলা ঠেকাতে ‘নো-ফ্লাই জোন’, স্নাইপার এবং তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়। বিপুল সংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন এবং কংক্রিটের ব্যারিয়ারের মাধ্যমে এই বিশ্বকাপকে ইতিহাসের সবচেয়ে সুরক্ষিত আসরে পরিণত করার নজিরবিহীন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
এই ষড়যন্ত্রের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। ডালাস বিমানবন্দরে আসা এক উড়ো ফোনে হুমকি দেওয়া হয় যে, গ্রেনেড ও এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকে হামলা চালানো হবে এবং মেসিকে হত্যা করা হবে। এছাড়া আটলান্টার স্টেডিয়ামেও শরীরে বোমা বেঁধে আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে মেসিকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল এক ব্যক্তির। এমনকি গ্যালারির ময়লার ঝুড়িতে বোমা রাখার মতো আতঙ্কজনক তথ্যও নথিতে পাওয়া গেছে।
পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ছিলেন। ফিফার এক কর্মীর কাছে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি রোনালদোর হোটেলের অবস্থান জানতে চান। পরবর্তীতে এক ভক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে তার হোটেলের লিফটে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন। যদিও আটক হওয়ার পর ওই ব্যক্তি দাবি করেন যে তিনি কেবল সেলফি তোলার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন।
মাঠের বিতর্কের জেরে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারেরও বেশি হুমকিমূলক বার্তা পান। এছাড়া ভিডিও রেফারি উইলি দেলাজোদকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে সুযোগ নষ্ট করায় নরওয়ের আলেকজান্ডার সোরলোথ এবং পেনাল্টি মিস করায় কলম্বিয়ার জন হ্যামিন্তন কাম্পাজ ও তাদের পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার অভাবে কাম্পাজ জাতীয় দলের সঙ্গে দেশে ফিরতেও সাহস পাননি।
টুর্নামেন্টে কিলিয়ান এমবাপ্পের প্রতিকৃতি পোড়ানো এবং তাকে বর্ণবাদী স্লোগান দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ড্রোন হামলা ঠেকাতে ‘নো-ফ্লাই জোন’, স্নাইপার এবং তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়। বিপুল সংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন এবং কংক্রিটের ব্যারিয়ারের মাধ্যমে এই বিশ্বকাপকে ইতিহাসের সবচেয়ে সুরক্ষিত আসরে পরিণত করার নজিরবিহীন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
