সাভারে এসআই নিয়ামত উল্লার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি
বাংলাদেশ পুলিশের মনোবল ভেঙে দেওয়া এবং বাহিনীকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন। এরই ধারাবাহিকতায় সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিয়ামত উল্লার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সাভারের শীর্ষ মাদক কারবারি শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারসহ একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেন এসআই নিয়ামত উল্লা। এসব অভিযানের ফলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু চিহ্নিত অপরাধী ও মাদক কারবারি সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে এসআই নিয়ামত উল্লা বলেন, “আমি সবসময় অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালন করে আসছি। অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করায় একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনগণের কাছে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা নেই।”
এ ঘটনায় সাভার মডেল থানার সহকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় অনেক বাসিন্দাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তাদের দাবি, দায়িত্বশীল ও কর্মঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের নিরুৎসাহিত করতেই এ ধরনের পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সচেতন মহলের পক্ষ থেকে অপপ্রচারকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, ভিত্তিহীন প্রচারণার মাধ্যমে কোনো সরকারি কর্মকর্তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সাভারের শীর্ষ মাদক কারবারি শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারসহ একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেন এসআই নিয়ামত উল্লা। এসব অভিযানের ফলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু চিহ্নিত অপরাধী ও মাদক কারবারি সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে এসআই নিয়ামত উল্লা বলেন, “আমি সবসময় অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালন করে আসছি। অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করায় একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনগণের কাছে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা নেই।”
এ ঘটনায় সাভার মডেল থানার সহকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় অনেক বাসিন্দাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তাদের দাবি, দায়িত্বশীল ও কর্মঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের নিরুৎসাহিত করতেই এ ধরনের পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সচেতন মহলের পক্ষ থেকে অপপ্রচারকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, ভিত্তিহীন প্রচারণার মাধ্যমে কোনো সরকারি কর্মকর্তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
