টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। এছাড়া টেকনাফের মেরিনড্রাইভ সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনায় কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সময়ে এসব ঘটনা ঘটে।
উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ/৫ ব্লকে পাহাড় ধসে একটি আশ্রয়কেন্দ্র মাটিচাপা পড়ে। এতে ৮ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশু নুনুজিয়া গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত ক্যাম্পসংলগ্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. আসাদুজ্জামান জানান, টানা ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় পাহাড় ধসে তিনটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে তিনজন আহত হন। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে টেকনাফের মেরিনড্রাইভ সড়কের কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে সেনাবাহিনীর তৎপরতায় সড়ক থেকে মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
মেরিনড্রাইভ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক কর্নেল হুমায়ন কবির জানান, ভারী বর্ষণের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। পর্যটক ও যানবাহন চালকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সময়ে এসব ঘটনা ঘটে।
উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ/৫ ব্লকে পাহাড় ধসে একটি আশ্রয়কেন্দ্র মাটিচাপা পড়ে। এতে ৮ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশু নুনুজিয়া গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত ক্যাম্পসংলগ্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. আসাদুজ্জামান জানান, টানা ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় পাহাড় ধসে তিনটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে তিনজন আহত হন। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে টেকনাফের মেরিনড্রাইভ সড়কের কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে সেনাবাহিনীর তৎপরতায় সড়ক থেকে মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
মেরিনড্রাইভ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক কর্নেল হুমায়ন কবির জানান, ভারী বর্ষণের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। পর্যটক ও যানবাহন চালকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
