নারায়ণগঞ্জ শহরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার দুপুরে শহরের চাষাঢ়া ও কলেজরোড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন তোলারাম কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এমদাদুল হক শুভ, সাধারণ সম্পাদক তামিম, অর্থ সম্পাদক জুবায়েদ, কর্মী মনির ও ইসমাইল, ছাত্রদল নেতা তুহিন আহমেদসহ আরও একজন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রথমে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রথমে চাষাঢ়া এলাকায় শুরু হওয়া সংঘর্ষ পরে কলেজরোড এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া অভিযোগ করেন, আলোচনা সভায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর বহিরাগতদের নিয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়, যাতে তাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন রাজু অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের হামলার আশঙ্কায় তারা কলেজ এলাকা ত্যাগ করেন। তবে চাষাঢ়ায় পৌঁছানোর পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে কলেজরোড এলাকাতেও পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসানুজ্জামান জানান, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির পর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ৩ থেকে ৪ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বুধবার দুপুরে শহরের চাষাঢ়া ও কলেজরোড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন তোলারাম কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এমদাদুল হক শুভ, সাধারণ সম্পাদক তামিম, অর্থ সম্পাদক জুবায়েদ, কর্মী মনির ও ইসমাইল, ছাত্রদল নেতা তুহিন আহমেদসহ আরও একজন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রথমে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রথমে চাষাঢ়া এলাকায় শুরু হওয়া সংঘর্ষ পরে কলেজরোড এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া অভিযোগ করেন, আলোচনা সভায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর বহিরাগতদের নিয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়, যাতে তাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন রাজু অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের হামলার আশঙ্কায় তারা কলেজ এলাকা ত্যাগ করেন। তবে চাষাঢ়ায় পৌঁছানোর পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে কলেজরোড এলাকাতেও পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসানুজ্জামান জানান, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির পর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ৩ থেকে ৪ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
