ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম
ছাত্রদলকে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে বর্তমান সরকারের পরিণতি আওয়ামী লীগের চেয়েও ভয়াবহ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্র গণজমায়েতে অংশ নেওয়া বক্তারা। বুধবার রাজধানীতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের হামলার অভিযোগের প্রতিবাদ জানানো হয়।
বক্তারা অভিযোগ করেন, জুলাই বিপ্লবের পরও গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদের বাস্তবায়নে অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। তারা আরও দাবি করেন, শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা ও অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে।
সমাবেশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালিয়েছেন এবং বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে এনে সহিংসতা সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রদলের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে ছাত্রজনতাকে সঙ্গে নিয়ে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার ভাষ্য, ক্যাম্পাসে সহাবস্থান বজায় রাখতে না পারলে এর দায় সরকারকে বহন করতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পরিবর্তে পুনরায় দখল, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। তিনি সরকারকে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
এদিকে ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদলের সঙ্গে বিরোধের মূল কারণ টেন্ডারবাজি ও ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি ছাত্রদলকে নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানান।
সমাবেশে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সমাবেশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বক্তারা অভিযোগ করেন, জুলাই বিপ্লবের পরও গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদের বাস্তবায়নে অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। তারা আরও দাবি করেন, শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা ও অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে।
সমাবেশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালিয়েছেন এবং বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে এনে সহিংসতা সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রদলের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে ছাত্রজনতাকে সঙ্গে নিয়ে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার ভাষ্য, ক্যাম্পাসে সহাবস্থান বজায় রাখতে না পারলে এর দায় সরকারকে বহন করতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পরিবর্তে পুনরায় দখল, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। তিনি সরকারকে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
এদিকে ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদলের সঙ্গে বিরোধের মূল কারণ টেন্ডারবাজি ও ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি ছাত্রদলকে নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানান।
সমাবেশে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সমাবেশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
