বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) বহিরাগতদের নিয়ে র্যালি করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার সকালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেট সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, র্যালিতে বহিরাগতদের উপস্থিতি নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আপত্তি জানালে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। একপর্যায়ে কয়েক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। কর্মসূচির অনুমতি নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরও বাগবিতণ্ডা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক আহমেদ অভিযোগ করেন, বহিরাগতদের নিয়ে লাঠির সঙ্গে পতাকা বেঁধে শিবির ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে। বহিরাগতদের ছাড়া কর্মসূচি পালনের অনুরোধ করলে শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলের পাঁচ থেকে ছয়জন নেতাকর্মী আহত হন।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবু দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। ভিসি গেটের দিকে যাওয়ার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে শিবিরের পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতেই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রক্টর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও সংঘর্ষ থামেনি। এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
তবে সংঘর্ষের জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের বাইরে এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শিবিরবিরোধী মিছিলও করেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) বেলাল হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বুধবার সকালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেট সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, র্যালিতে বহিরাগতদের উপস্থিতি নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আপত্তি জানালে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। একপর্যায়ে কয়েক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। কর্মসূচির অনুমতি নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরও বাগবিতণ্ডা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক আহমেদ অভিযোগ করেন, বহিরাগতদের নিয়ে লাঠির সঙ্গে পতাকা বেঁধে শিবির ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে। বহিরাগতদের ছাড়া কর্মসূচি পালনের অনুরোধ করলে শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলের পাঁচ থেকে ছয়জন নেতাকর্মী আহত হন।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবু দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। ভিসি গেটের দিকে যাওয়ার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে শিবিরের পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতেই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রক্টর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও সংঘর্ষ থামেনি। এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
তবে সংঘর্ষের জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের বাইরে এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শিবিরবিরোধী মিছিলও করেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) বেলাল হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
