বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের অজুহাতে দায়িত্ব এড়ানো হবে না: তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় সরকার কোনো ধরনের অজুহাত দেখিয়ে দায়িত্ব এড়াতে চায় না। তিনি বলেন, সরকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে নিরন্তর কাজ করছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে জুলাই আন্দোলন উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনির্বার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বিএনপি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, যা সরকার অবগত রয়েছে। জনগণকে এ পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে সরকারের সাধ্য, অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার জ্বালানি খাতকে দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফলে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়া এ খাতকে পুনর্গঠন করতে সময় প্রয়োজন হবে বলেও মন্তব্য করেন।
গ্যাস সংকট নিরসনে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে মালয়েশিয়াও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং বিভক্ত প্রশাসন পেয়েছে। রাষ্ট্রের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ছিল জনগণের আন্দোলন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের কারণেই আন্দোলন সফল হয়েছে। এই সফলতার কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে এটি এখন শুধু বিএনপির কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের ৩১ দফায় পরিণত হয়েছে। তিনি জানান, এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র পুনর্গঠন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে জুলাই আন্দোলন উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনির্বার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বিএনপি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, যা সরকার অবগত রয়েছে। জনগণকে এ পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে সরকারের সাধ্য, অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার জ্বালানি খাতকে দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফলে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়া এ খাতকে পুনর্গঠন করতে সময় প্রয়োজন হবে বলেও মন্তব্য করেন।
গ্যাস সংকট নিরসনে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে মালয়েশিয়াও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং বিভক্ত প্রশাসন পেয়েছে। রাষ্ট্রের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ছিল জনগণের আন্দোলন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের কারণেই আন্দোলন সফল হয়েছে। এই সফলতার কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে এটি এখন শুধু বিএনপির কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের ৩১ দফায় পরিণত হয়েছে। তিনি জানান, এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র পুনর্গঠন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
