ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি ৬ হাজার ছাড়াল, নিখোঁজ আরও প্রায় ১,৪০০
ভেনেজুয়েলায় গত জুনে আঘাত হানা জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬ হাজার ১২৫ জনে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দেশটির জাতীয় সংসদের প্রধান জর্জ রদ্রিগেজ এ তথ্য জানিয়েছেন।
সরকারি হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ জুন ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে প্রায় ২০০টি ভবন ধসে পড়ে, যার বেশিরভাগই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় রাজ্য লা গুয়াইরায় অবস্থিত। এর আগে সরকার নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৪৬ জন বলে জানিয়েছিল।
এ দুর্যোগে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। উদ্ধারকারী দল ও স্বজনরা এখনও ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
লা গুয়াইরার গভর্নর জোসে আলেজান্দ্রো তেরান জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর এখনো প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। যদিও সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজের সংখ্যা প্রকাশ করেনি, বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এ সংখ্যা ১০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়া ১৯০টি ভবনের পাশাপাশি ১৬ হাজার ২০০টিরও বেশি ভবন ও স্থাপনাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে বহু মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে হয়েছে। বর্তমানে লা গুয়াইরা ও রাজধানী কারাকাসের প্রায় ২৪ হাজার মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
এদিকে, ভূমিকম্পে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য বাড়ি ভাড়া নেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে একটি নতুন আইন পাস করেছে দেশটির জাতীয় সংসদ। এর মাধ্যমে সাবেক চাভিস্তা সরকারের ভাড়া-সংক্রান্ত পূর্বের আইন বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের শেষের আগেই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ৪ হাজার বাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রদ্রিগেজ। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশটির সরকার এই সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
গত জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ওয়াশিংটনের কড়া নজরদারিতে দেশটি পরিচালনা করছেন এই অন্তর্বর্তীকালীন নেতা।
সূত্র: এএফপি
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সরকারি হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ জুন ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে প্রায় ২০০টি ভবন ধসে পড়ে, যার বেশিরভাগই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় রাজ্য লা গুয়াইরায় অবস্থিত। এর আগে সরকার নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৪৬ জন বলে জানিয়েছিল।
এ দুর্যোগে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। উদ্ধারকারী দল ও স্বজনরা এখনও ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
লা গুয়াইরার গভর্নর জোসে আলেজান্দ্রো তেরান জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর এখনো প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। যদিও সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজের সংখ্যা প্রকাশ করেনি, বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এ সংখ্যা ১০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়া ১৯০টি ভবনের পাশাপাশি ১৬ হাজার ২০০টিরও বেশি ভবন ও স্থাপনাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে বহু মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে হয়েছে। বর্তমানে লা গুয়াইরা ও রাজধানী কারাকাসের প্রায় ২৪ হাজার মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
এদিকে, ভূমিকম্পে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য বাড়ি ভাড়া নেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে একটি নতুন আইন পাস করেছে দেশটির জাতীয় সংসদ। এর মাধ্যমে সাবেক চাভিস্তা সরকারের ভাড়া-সংক্রান্ত পূর্বের আইন বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের শেষের আগেই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ৪ হাজার বাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রদ্রিগেজ। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশটির সরকার এই সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
গত জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ওয়াশিংটনের কড়া নজরদারিতে দেশটি পরিচালনা করছেন এই অন্তর্বর্তীকালীন নেতা।
সূত্র: এএফপি
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
