বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে শহীদ বিপ্লবীদের স্মরণে ন্যাশনাল প্রফেশনালস অ্যালায়েন্স (এনপিএ) আয়োজন করেছে "পেশাজীবী সমাজের জুলাই জাগরণ" শীর্ষক অনুষ্ঠান। শনিবার ১ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব জনাব আখতার হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল প্রফেশনালস অ্যালায়েন্স এর আহ্বায়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্। বক্তব্য রাখেন এনপিএ সদস্য সচিব তৌহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে গণমানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক অনন্য মাইলফলক। শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে দেশের পেশাজীবী সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
আখতার হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ সময়ের দাবি। দেশের সার্বিক অগ্রগতি ও জাতীয় স্বার্থে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
নাভিদ নওরোজ শাহ্ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পেশাজীবীরা একটি মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে অংশ নিয়েছিলো। কিন্তু বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দিচ্ছে দক্ষতা উপেক্ষা করে। এর বিরুদ্ধে পেশাজীবী সমাজকে সোচ্চার থাকতে হবে।
আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স এর আহবায়ক মাওলানা আশরাফ মাহদী ও জাতীয় শ্রমিক শক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ ইসহাক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন শারমিন রহমান, সংগঠক, জাতীয় নারী শক্তি; শফিকুল ইসলাম হানিফ, মুখ্য সংগঠক, জাতীয় রিকশা-ভ্যানচালক শক্তি; এনপিএ যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ নাদিম শেখ, মোঃ সৈকত হাসান, মাহিনুর ইসলাম, কৃষিবিদ মজিবর রহমান এবং জুলাই যোদ্ধা রিকশাচালক সুজন মিয়া। সঞ্চালনা করেন এম জি আজম জুলিয়ান এবং মো: শফিউল আলম নাজির।
অনুষ্ঠানে বেসরকারি চাকরিজীবী, ফ্রিল্যান্সার, উন্নয়ন কর্মকর্তা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি, প্রাণবন্ত আলোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মুনতাসীর তুষার, ইমরান জাহাঙ্গীর, মোঃ গোলাম সরোয়ার ও শরীফ আহমেদ এর নেতৃত্বে আয়োজক কমিটি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব জনাব আখতার হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল প্রফেশনালস অ্যালায়েন্স এর আহ্বায়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্। বক্তব্য রাখেন এনপিএ সদস্য সচিব তৌহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে গণমানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক অনন্য মাইলফলক। শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে দেশের পেশাজীবী সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
আখতার হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ সময়ের দাবি। দেশের সার্বিক অগ্রগতি ও জাতীয় স্বার্থে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
নাভিদ নওরোজ শাহ্ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পেশাজীবীরা একটি মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে অংশ নিয়েছিলো। কিন্তু বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দিচ্ছে দক্ষতা উপেক্ষা করে। এর বিরুদ্ধে পেশাজীবী সমাজকে সোচ্চার থাকতে হবে।
আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স এর আহবায়ক মাওলানা আশরাফ মাহদী ও জাতীয় শ্রমিক শক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ ইসহাক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন শারমিন রহমান, সংগঠক, জাতীয় নারী শক্তি; শফিকুল ইসলাম হানিফ, মুখ্য সংগঠক, জাতীয় রিকশা-ভ্যানচালক শক্তি; এনপিএ যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ নাদিম শেখ, মোঃ সৈকত হাসান, মাহিনুর ইসলাম, কৃষিবিদ মজিবর রহমান এবং জুলাই যোদ্ধা রিকশাচালক সুজন মিয়া। সঞ্চালনা করেন এম জি আজম জুলিয়ান এবং মো: শফিউল আলম নাজির।
অনুষ্ঠানে বেসরকারি চাকরিজীবী, ফ্রিল্যান্সার, উন্নয়ন কর্মকর্তা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি, প্রাণবন্ত আলোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মুনতাসীর তুষার, ইমরান জাহাঙ্গীর, মোঃ গোলাম সরোয়ার ও শরীফ আহমেদ এর নেতৃত্বে আয়োজক কমিটি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
