চীন–বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে কাজ করছে দুই দেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
চীন–বাংলাদেশ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে দুই দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, নানামুখী তৎপরতার মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এর মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৫০ বছরে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও গভীর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, চীনের উন্নত প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বেইজিং সফর বাংলাদেশ–চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফর ঐতিহাসিক। এ সফরের মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা, সমঝোতা ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক করিডর বাস্তবায়ন নিয়ে চীন আশাবাদী। একই সঙ্গে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও ইতিবাচক প্রত্যাশা রয়েছে।
চীনা রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আগামী ৫০ বছরের সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ও চীন অঞ্চল ও পথের উদ্যোগ (বিআরআই)-এর আওতায় শিল্প, অবকাঠামো ও উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।
হুমায়ুন কবির জানান, ব্যবস্থাপনা, নদী উন্নয়ন এবং চীন–বাংলাদেশ–মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ফুদান ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট চেন ঝিমিন বক্তব্য দেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এর মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৫০ বছরে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও গভীর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, চীনের উন্নত প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বেইজিং সফর বাংলাদেশ–চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফর ঐতিহাসিক। এ সফরের মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা, সমঝোতা ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক করিডর বাস্তবায়ন নিয়ে চীন আশাবাদী। একই সঙ্গে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও ইতিবাচক প্রত্যাশা রয়েছে।
চীনা রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আগামী ৫০ বছরের সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ও চীন অঞ্চল ও পথের উদ্যোগ (বিআরআই)-এর আওতায় শিল্প, অবকাঠামো ও উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।
হুমায়ুন কবির জানান, ব্যবস্থাপনা, নদী উন্নয়ন এবং চীন–বাংলাদেশ–মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ফুদান ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট চেন ঝিমিন বক্তব্য দেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
