তীব্র গরমে জার্মানিতে সাড়ে ৩ মাসে রেকর্ড ৯ হাজার ৮০০ মৃত্যু
তীব্র গরম ও দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের কারণে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন মাসে জার্মানিতে রেকর্ড ৯ হাজার ৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সরকারি সংস্থা রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট (আরকেআই) রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, জার্মানিতে গরমজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে এটি নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১৬ সালের একই সময়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।
জার্মানির সরকারি সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন মাসেই গরমজনিত কারণে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৫ হাজার ১০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের অর্ধেকেরও বেশি সময় বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল।
আরকেআইয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ৭ হাজার ৯০০ জন। এরপর মাত্র ছয় দিনে, অর্থাৎ ১৩ থেকে ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ১ হাজার ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন বয়স্ক এবং তারা হৃদরোগ, শ্বাসতন্ত্র ও কিডনিসংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের কারণে এসব রোগের জটিলতা বেড়ে যাওয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মৃতদের মধ্যে ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ছিলেন ৫ হাজার ৪২০ জন, ৭৫ থেকে ৮৪ বছর বয়সী ২ হাজার ৪৬০ জন এবং ৬৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সী ছিলেন ১ হাজার ২৬০ জন। ৬৫ বছরের কম বয়সী মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ৬৩০ জন।
রবার্ট কখ ইনস্টিটিউটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অধিকাংশ মানুষ সরাসরি হিটস্ট্রোকে মারা যাননি; বরং তীব্র গরম তাদের পূর্ববর্তী শারীরিক অসুস্থতাকে মারাত্মকভাবে জটিল করে তুলেছিল।
প্রতিবেদনটি জার্মান আবহাওয়া পরিষেবার পরিচালিত ৫২টি আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব সপ্তাহে গড় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল, সেসব সপ্তাহে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, জার্মান বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন, দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে তাপজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, জার্মানিতে গরমজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে এটি নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১৬ সালের একই সময়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।
জার্মানির সরকারি সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন মাসেই গরমজনিত কারণে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৫ হাজার ১০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের অর্ধেকেরও বেশি সময় বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল।
আরকেআইয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ৭ হাজার ৯০০ জন। এরপর মাত্র ছয় দিনে, অর্থাৎ ১৩ থেকে ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ১ হাজার ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন বয়স্ক এবং তারা হৃদরোগ, শ্বাসতন্ত্র ও কিডনিসংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের কারণে এসব রোগের জটিলতা বেড়ে যাওয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মৃতদের মধ্যে ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ছিলেন ৫ হাজার ৪২০ জন, ৭৫ থেকে ৮৪ বছর বয়সী ২ হাজার ৪৬০ জন এবং ৬৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সী ছিলেন ১ হাজার ২৬০ জন। ৬৫ বছরের কম বয়সী মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ৬৩০ জন।
রবার্ট কখ ইনস্টিটিউটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অধিকাংশ মানুষ সরাসরি হিটস্ট্রোকে মারা যাননি; বরং তীব্র গরম তাদের পূর্ববর্তী শারীরিক অসুস্থতাকে মারাত্মকভাবে জটিল করে তুলেছিল।
প্রতিবেদনটি জার্মান আবহাওয়া পরিষেবার পরিচালিত ৫২টি আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব সপ্তাহে গড় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল, সেসব সপ্তাহে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, জার্মান বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন, দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে তাপজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
