নার্স দিয়ে প্রসূতির অস্ত্রোপচারের অভিযোগ, নবজাতকের মৃত্যু
ফেনী শহরের খাজুরিয়া এলাকায় অবস্থিত আল-আকসা জেনারেল হাসপাতালে এক প্রসূতির অস্ত্রোপচারের সময় নার্স দিয়ে অপারেশন করানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
রোববার (২ আগস্ট) রাতে ফেনীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইনের নেতৃত্বে একটি দল হাসপাতালটিতে অভিযান চালায়। অভিযানে অপারেশন থিয়েটারে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করে তাৎক্ষণিকভাবে ওটি সিলগালা করা হয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও রোগীর স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মিজানের স্ত্রী তাহসিনা ফারহাকে শনিবার রাতে সন্তান প্রসবের জন্য আল-আকসা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শম্পা কুণ্ডুর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
প্রসূতির বাবা বেলাল হোসেন অভিযোগ করেন, রোববার দুপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একজন নার্সের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা চালায়। পরে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে নার্সই অপারেশন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে নবজাতকের মৃত্যু হয় এবং প্রসূতি তাহসিনা বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আল-আকসা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ মমিন। তিনি বলেন, গর্ভে থাকতেই শিশুটির শ্বাসজনিত জটিলতা ছিল। পরিবারের সদস্যরা বারবার স্বাভাবিক প্রসবের জন্য চাপ প্রয়োগ করলেও রোগীর অবস্থা সে ধরনের ছিল না। বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো হলে তিনি হাসপাতালে এসে অস্ত্রোপচার করেন। নার্স দিয়ে অপারেশন করানো বা চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।
হাসপাতাল পরিচালক আরও বলেন, প্রসূতির পরিবারের অতিরিক্ত চাপের কারণে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে শিশুটিকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি। অভিযানের সময় সিভিল সার্জন সংশ্লিষ্ট নার্সের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি।
ফেনীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন বলেন, নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগের পর হাসপাতালটি পরিদর্শন করে অপারেশন থিয়েটারে একাধিক অসংগতি পাওয়া গেছে। এসব অনিয়মের কারণে ওটির কার্যক্রম সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
রোববার (২ আগস্ট) রাতে ফেনীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইনের নেতৃত্বে একটি দল হাসপাতালটিতে অভিযান চালায়। অভিযানে অপারেশন থিয়েটারে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করে তাৎক্ষণিকভাবে ওটি সিলগালা করা হয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও রোগীর স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মিজানের স্ত্রী তাহসিনা ফারহাকে শনিবার রাতে সন্তান প্রসবের জন্য আল-আকসা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শম্পা কুণ্ডুর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
প্রসূতির বাবা বেলাল হোসেন অভিযোগ করেন, রোববার দুপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একজন নার্সের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা চালায়। পরে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে নার্সই অপারেশন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে নবজাতকের মৃত্যু হয় এবং প্রসূতি তাহসিনা বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আল-আকসা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ মমিন। তিনি বলেন, গর্ভে থাকতেই শিশুটির শ্বাসজনিত জটিলতা ছিল। পরিবারের সদস্যরা বারবার স্বাভাবিক প্রসবের জন্য চাপ প্রয়োগ করলেও রোগীর অবস্থা সে ধরনের ছিল না। বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো হলে তিনি হাসপাতালে এসে অস্ত্রোপচার করেন। নার্স দিয়ে অপারেশন করানো বা চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।
হাসপাতাল পরিচালক আরও বলেন, প্রসূতির পরিবারের অতিরিক্ত চাপের কারণে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে শিশুটিকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি। অভিযানের সময় সিভিল সার্জন সংশ্লিষ্ট নার্সের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি।
ফেনীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন বলেন, নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগের পর হাসপাতালটি পরিদর্শন করে অপারেশন থিয়েটারে একাধিক অসংগতি পাওয়া গেছে। এসব অনিয়মের কারণে ওটির কার্যক্রম সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
