ATN
শিরোনাম
  •  

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

         
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহসহ সাত দফা দাবিতে বরগুনায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটি। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতারা।

কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, দক্ষিণাঞ্চলের পায়রা ও তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হলেও বরগুনার বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন তারা।

বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির পক্ষ থেকে উত্থাপিত সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—সার্বক্ষণিক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহার, বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য পুনর্বিবেচনা, নিয়মিত মিটার রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল প্রদান, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, গ্রাহক হয়রানি বন্ধ এবং বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস চালু করা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল বলেন, “আজকের কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বিদ্যুৎ অফিস অচল করে দেওয়ার মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

‘ধরিত্রি রক্ষায় আমরা’ সংগঠনের আহ্বায়ক মুসফিক আরিফ বলেন, “এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন।”

কর্মসূচি শেষে সাত দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো হয়। এর অনুলিপি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ এবং বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্যের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান বলেন, বরগুনা শহরে বিদ্যুতের চাহিদা ৬ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ মেগাওয়াট। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুতের ৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মিলছে সাড়ে ৩ থেকে ৪ মেগাওয়াট। জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণেই লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।

রিপোর্ট : মাসুম বিল্লাহ্/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ